হোম > সারা দেশ > ঢাকা

ঢাকার দুই সিটির ১২৯ ওয়ার্ডের মধ্যে ৪১টিতে নেই খেলার মাঠ: ডব্লিউবিবি

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

ডব্লিউবিবি মিলনায়তনে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় বক্তারা। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের ১২৯টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৪১টিতে কোনো খেলার মাঠ নেই। খেলার মাঠ নেই এমন ওয়ার্ড রয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে (ডিএনসিসি) ১০টি ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৩১টি। এ ছাড়া অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপে ঢাকার উন্মুক্ত স্থানগুলো দখলে আর দূষণে ক্রমেই সংকুচিত হয়ে আসছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে মাঠ-পার্ক রক্ষা ও যথাযথ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা জরুরি।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর রায়েরবাজার ওয়ার্ক ফর আ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট (ডব্লিউবিবি) মিলনায়তনে আয়োজিত ‘ঢাকার পার্ক ও খেলার মাঠ: নাগরিক প্রত্যাশা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

ডব্লিউবিবি থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সভায় বেসরকারি সংস্থা বারসিকের অ্যাগ্রো-বায়োডাইভার্সিটি, ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড ফুড সিকিউরিটি প্রোগ্রামের কো-অর্ডিনেটর মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, মাঠ-পার্কগুলো উন্নয়নের ক্ষেত্রে ব্যয়বহুল নকশা প্রণয়ন থেকে বিরত থেকে দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করা হলে খরচ অনেকটা কমে আসবে এবং রক্ষণাবেক্ষণও অনেক সহজ হবে।

জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘আমাদের নগরে মাঠ-পার্কের সংখ্যা যথেষ্ট অপ্রতুল। এই অবস্থায় দখলকৃত মাঠ-পার্ক ও বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনায় গণপরিসর হিসেবে চিহ্নিত সকল স্থান পুনরুদ্ধার ও সংস্কারের পাশাপাশি রাজউক, গণপূর্ত এবং সিটি করপোরেশনের মধ্যে বিদ্যমান সমন্বয়হীনতা দূর করতে পার্ক ও মাঠের ব্যবস্থাপনা একটি নির্দিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠানের অধীনে আনা প্রয়োজন।’

তেঁতুলতলা মাঠ রক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক ও উন্নয়নকর্মী সৈয়দা রত্না বলেন, উন্নয়ন কার্যক্রমে স্থানীয় বাসিন্দাদের সম্পৃক্ততা না থাকায় মাঠ ও পার্কের নকশায় তাঁদের প্রয়োজনের প্রতিফলন ঘটে না। তিনি সব বয়স, লিঙ্গ ও সামর্থ্যের মানুষের চাহিদা বিবেচনায় মাঠ-পার্কের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের পাশাপাশি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ডব্লিউবিবি ট্রাস্টের সহকারী প্রকল্প কর্মকর্তা মো. মিঠুনের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন পরিবেশবাদী ছাত্র-যুব সংগঠন গ্রিন ভয়েসের সংগঠক হুমায়ুন কবির সুমন, প্রাণ-প্রকৃতি-পরিবেশ-প্রতিবেশ রক্ষা জাতীয় কমিটির ইবনুল সাঈদ রানা প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডব্লিউবিবি ট্রাস্টের পরিচালক গাউস পিয়ারী।