হোম > সারা দেশ > ঢাকা

বাঁধনের ওপর হামলার নিন্দা, সরকারের কূটনৈতিক উদ্যোগ দাবি

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

আজমেরী হক বাঁধন। ছবি: সংগৃহীত

ইতালির ভেনিসে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলা ও তাঁকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে গভীর ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছে নাগরিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা। একই সঙ্গে ঘটনার বিষয়ে ইতালির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে বাঁধনকে প্রয়োজনীয় কনস্যুলার ও আইনি সহায়তা দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

আজ মঙ্গলবার এক প্রতিবাদলিপিতে এ দাবি জানানো হয়।

প্রতিবাদলিপিতে স্বাক্ষর করেছেন চিলড্রেনস গার্ডিয়ান শিপ এক্সপানশন প্রপোজিশনের (সিজিইপি) প্রতিনিধি দিলরুবা শরমিন ও তৃষিয়া নাশতারান, নাগরিক কোয়ালিশনের প্রতিনিধি সৈয়দ হাসিব উদ্দিন হোসেন এবং লেখক ও অ্যাকটিভিস্ট রেহনুমা আহমেদ।

প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, বাঁধনের ওপর হামলাকে জুলাই ২০২৪-এর অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী ও সমর্থনকারীদের ওপর দেশের বাইরে আওয়ামী লীগের সমর্থকদের হামলার ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিভিন্ন দেশেও এর আগে জুলাই অভ্যুত্থানের নেতা, যোদ্ধা ও সহযোগীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে।

প্রতিবাদলিপিতে আরও বলা হয়, এ ধরনের হামলার মাধ্যমে পরাজিত রাজনৈতিক শক্তি তাদের ‘হীন ও সহিংস চরিত্রের’ বহিঃপ্রকাশ ঘটাচ্ছে এবং জুলাই অভ্যুত্থানের অংশীজনদের মধ্যে ভয় ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরির চেষ্টা করছে।

বাঁধন ৮৩তম ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ও বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে ইতালিতে গেছেন। হামলার পর তিনি আইনি প্রতিকার চেয়ে ভেনিসের স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন বলে প্রতিবাদলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে স্বাক্ষরকারীরা মনে করেন, ভেনিসে বাঁধনের ওপর হামলা রাজনৈতিকভাবে অমর্যাদাকর হওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তির জন্যও ক্ষতিকর।

এ ঘটনায় বাংলাদেশ সরকারের কাছে কয়েকটি দাবি জানানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—ইতালিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট ইতালীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে ঘটনাটি আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা এবং বাঁধনকে প্রয়োজনীয় কনস্যুলার ও আইনি সহায়তা দেওয়া।

এ ছাড়া বাঁধনের করা অভিযোগের যথাযথ তদন্ত এবং হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ইতালির প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে দূতাবাসের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও অনুসরণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

প্রতিবাদলিপিতে বাঁধনের ব্যক্তিগত ও সামাজিক ভূমিকার কথাও তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়, এই হামলা এমন একজন নারীর ওপর আক্রমণ, যিনি একজন মা হিসেবে নিজের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আইনি লড়াই করেছেন এবং বিজয়ী হয়েছেন।

প্রতিবাদলিপিতে স্বাক্ষরকারীরা আশা করেন, বাংলাদেশ সরকার এ ঘটনায় দ্রুত ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেবে। তাঁদের মতে, জুলাই অভ্যুত্থানের অংশীজন কিংবা বাংলাদেশের কোনো নাগরিককে রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে দেশের বাইরে হামলা, হুমকি বা লাঞ্ছনার শিকার করা হলে তা উপেক্ষা করা উচিত নয়।

প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, অভিযুক্তরা দেশের বাইরে অবস্থান করলেও সংশ্লিষ্ট দেশের আইনের আওতায় তাঁদের জবাবদিহির মুখোমুখি করার জন্য রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক ও আইনি উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

রাজধানীর মগবাজারে ভোরবেলায় সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি

জাতীয় হৃদ্‌রোগ ইনস্টিটিউট: অস্ত্রোপচারের জন্য রোগীদের মাসের পর মাস অপেক্ষা

৩০০ ফিট এলাকায় প্রাইভেট কারের ধাক্কায় পথচারী নিহত

শনিবার ৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না রাজধানীর যেসব এলাকায়

কেরানীগঞ্জে নিজ বাসায় যুব মহিলা লীগ নেত্রীর গলাকাটা লাশ

আমিনবাজারে ল্যান্ডফিলের ৮০০ লিটার ডিজেল চুরি, ডিএনসিসির ট্রাকচালক আটক

অতি. ডিআইজির বাড়ি: ৫ আগস্টের পর খোলা হয় সেই বাড়ির সিসি ক্যামেরা

ডিএসসিসির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা: প্রচারের অভাবে সাড়া নেই ‘ক্লিন কেয়ার’ অ্যাপে

মিরপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী মামুনের ৩ ভাগনে গ্রেপ্তার

ঢাকায় শ্যালিকার বাসা থেকে দুলাভাইয়ের লাশ উদ্ধার, পরিবারের অভিযোগ হত্যা