হোম > সারা দেশ > ঢাকা

ইভ্যালির সিইও-চেয়ারম্যান ৩ দিনের রিমান্ডে  

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ রাসেল এবং তাঁর স্ত্রী প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। 

অর্থ আত্মসাতের মামলায় আজ শুক্রবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুল ইসলামের আদালত তাঁদের রিমান্ডের আদেশ দেন। 

আজ দুপুর ৩টার দিকে দুই আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। সাড়ে ৩টার দিকে শুনানি হয়। গুলশান থানায় করা দণ্ডবিধির ৪২০ / ৪০৬ / ৫০৬ ধারার মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার উপপরিদর্শক ওয়াহিদুল ইসলাম প্রত্যেককে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার জন্য আবেদন করেন। অন্যদিকে আসামিদের পক্ষে রিমান্ড বাতিল পূর্বক জামিনের আবেদন করেন আইনজীবীরা। শুনানি শেষে আদালত জামিনের আবেদন নাকচ করে দেন। একই সঙ্গে প্রত্যেককে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। 

আদালতে ইভ্যালির পক্ষের আইনজীবী এম মনিরুজ্জামান আসাদ বলেন, পণ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে সাত থেকে পঁয়তাল্লিশ দিন সময় লাগে। এটা বলাই আছে। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে যথা সময়ে পণ্য সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়েছে ইভ্যালি। 

তিনি আদালতে আরও বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে অর্ডার দেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে পণ্য সরবরাহ পায়নি। ফলে গ্রাহকদেরও সরবরাহ করতে পারেনি ইভ্যালি। মামলার বাদী অফিসে এলে তাঁকে টাকা দেওয়া হয়নি, কিন্তু টাকা দেওয়া হবে না এমনটা তো বলা হয়নি। এটি একটি বিজনেস ডিল। সময় লাগতে পারে।

ইভ্যালি করোনা পরিস্থিতির কারণে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে ছয় মাস সময় চেয়েছে। এরই মধ্যে গত এক মাসে ৩ লাখ গ্রাহককে পণ্য ডেলিভারি করা হয়েছে। ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানটি এ পর্যন্ত ৭০ লাখ মানুষকে সেবা দিয়েছে বলে জানান আইনজীবী মনিরুজ্জামান আসাদ। 

তিনি আদালতে আরও বলেন, দুই আসামিকে রিমান্ডে নেওয়ার কোনো যৌক্তিকতা নেই। কারণ ইভ্যালি কখনো কাউকে পণ্য দেবে না এই কথা বলেনি। আর জিজ্ঞাসাবাদ করে কোনো তথ্য উদ্‌ঘাটনের বিষয় নেই। এ ছাড়া শামীমা নাসরিনের ছোট একটা সন্তান আছে। সুতরাং তাঁদের রিমান্ড আবেদন বাতিল করে জামিন দেওয়া হোক।

অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবদুল্লাহ আবু শুনানিতে বলেন, ইভ্যালিতে পণ্যের জন্য টাকা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু পাঁচ মাসেও পণ্য পায়নি গ্রাহকেরা। তারপর তারা টাকা চাইতে গেলে তাদের হুমকি দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে টাকা দেবে না। তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণার মাধ্যমে তারা মানুষের অর্থ আত্মসাৎ করে আসছিল। তাদের সঙ্গে আরও কারা জড়িত আছে তদন্ত করে তাদের খুঁজে বের করতে হবে।

এদিকে মোহাম্মদ রাসেল এবং শামীমা নাসরিনের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে আদালতের সামনে বিক্ষোভ করেছেন ইভ্যালির গ্রাহকেরা। পরে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় এবং সেখান থেকে একজনকে আটক করে। পরে সেখান থেকে গ্রাহকেরা শাহবাগে জড়ো হলে সেখানেও তাঁদের দাঁড়াতে দেয়নি পুলিশ।

ইভ্যালির সিইও রাসেল (৩৭) এবং তাঁর স্ত্রী প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকে (৩৫) তাঁদের মোহাম্মদপুরের বাসা থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। 

গত বুধবার গুলশান থানায় তাদের বিরুদ্ধে এক ভুক্তভোগী প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মামলা করেছিলেন। রাসেল ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে ইভ্যালির কার্যক্রম শুরু করেন। 

ডাকসু নেতাদের ওপর হামলায় জড়িতদের বিচার দাবি ‘জুলাই ঐক্যের’

যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে হত্যার ১৪ বছর পর স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

নিয়োগপত্রের দাবিতে শাহবাগে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষকদের গণ-অবস্থান

ঢাবি ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার, শিক্ষক ও বন্ধু পুলিশ হেফাজতে

কেরানীগঞ্জে চীনা নাগরিককে কুপিয়ে জখম: আরও ২ সদস্য গ্রেপ্তার

পুলিশের লুট হওয়া চারটি গ্রেনেড রাজধানীতে পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার

সতর্কবার্তা জারি: আবার তৎপর হচ্ছে জঙ্গিরা, হামলার শঙ্কা পুলিশের

সংরক্ষিত আসনের নারী প্রার্থী: বিএনপির কোটিপতি ১৬ প্রার্থী

পরীক্ষার্থীরা বিপাকে: মোম-টর্চে আলো মিললেও ঘাম ছুটছে গরমে

‘গুপ্ত’ ইস্যু: ছোট শব্দে বড় রাজনীতি