হোম > সারা দেশ > ঢাকা

ঢাবির সেন্ট্রাল লাইব্রেরির এসি ২০ দিন ধরে বিকল

মো. বেলাল হোসেন, ঢাবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি। ছবি: আজকের পত্রিকা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) বিকল হয়ে পড়ায় প্রায় ২০ দিন ধরে অতিরিক্ত গরমে ভোগান্তিতে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা। গরমের কারণে স্বাভাবিক পড়াশোনার পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নিয়মিত পড়াশোনা করতে আসা শিক্ষার্থীরা।

আজ শুক্রবার বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির বিভিন্ন তলার প্রায় ১৪টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র মেরামতের জন্য খুলে নেওয়া হয়েছে। ফলে গরমের মধ্যেই পড়াশোনা করছেন শিক্ষার্থীরা। লাইব্রেরির ভেতরের পরিবেশ তুলনামূলক গরম থাকায় অনেক শিক্ষার্থীরা অস্বস্তি নিয়েই পড়াশোনা করছেন। দীর্ঘ সময় লাইব্রেরিতে অবস্থান করায় ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে তাদের।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি। ছবি: আজকের পত্রিকা

লাইব্রেরিতে পড়াশোনা করছিলেন সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী রাফি আল হাসনাত। তিনি বলেন, ‘খুবই কষ্ট হচ্ছে। অতিরিক্ত গরমের কারণে স্বাভাবিকভাবে পড়াশোনা করা ব্যাহত হচ্ছে। দীর্ঘ সময় লাইব্রেরিতে বসে পড়াশোনা করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে।’

আরবি বিভাগের শিক্ষার্থী মইনুদ্দীন বলেন, ‘প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে এই সমস্যা চলছে। যেসব শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র এখনো চালু আছে, সেগুলোও পর্যাপ্ত নয়। ফলে অতিরিক্ত গরমের মধ্যে পড়াশোনা করতে হচ্ছে।’

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির উপ-গ্রন্থাগারিক সাইফুল ইসলাম মোল্লা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলা থেকে ১৪টা এসি খুলে রিপেয়ারিংয়ের জন্য নেওয়া হয়েছে। এগুলো বিজ্ঞান কারখানা থেকে অর্থাৎ সেন্ট্রালি সার্ভিসিং হয়। ওরাই সব এসির দেখভাল করে।’

সাইফুল মোল্লা আরও বলেন, বিজ্ঞান কারখানার মেকানিকেরা এসে যন্ত্রগুলো পরীক্ষা করে কী কী যন্ত্রাংশ প্রয়োজন এবং মেরামতে কত টাকা খরচ হবে—তার একটি প্রাক্কলন (এস্টিমেট) দিয়েছে। সেই অনুযায়ী রেজিস্ট্রার ভবনে নোট দেওয়া হয়েছে।

এ উপ–গ্রন্থাগারিক বলেন, ‘সরকারি টাকা হওয়ায় একটা নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া আছে। আগে আমাদের কাছে বাৎসরিক বাজেট ছিল, তখন বাইরে থেকে সার্ভিসিং করানো যেত, ফলে এতটা সময় লাগত না তখন। এখন সেই সুযোগ নেই।’

মেরামতের কাজ শুরু হতে কিছুটা সময় লাগার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘রেজিস্ট্রার ভবন থেকে অনুমোদন পাওয়ার পরই অর্থ বরাদ্দ করা সম্ভব হবে। রেজিস্ট্রার বিল্ডিং থেকে ভিসি স্যার ও ট্রেজারারের অনুমোদন হয়ে চেক আসবে। ওই চেক পাওয়ার পর আমরা বিজ্ঞান কারখানায় টাকা পাঠিয়ে দেব। এরপর তারা কাজ শুরু করবে।’