হোম > সারা দেশ > ঢাকা

ঢাবি ক্যাম্পাসের ২ স্থানে ‘ককটেল’ বিস্ফোরণ, মধ্যরাতে বিক্ষোভ ছাত্রদলের

ঢাবি প্রতিনিধি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একাধিক বিস্ফোরণের পর মধ্যরাতে বিক্ষোভ করে ছাত্রদল। ছবি: আজকের পত্রিকা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এলাকার দুই স্থানে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বিস্ফোরকগুলো ককটেল হতে পারে বলে ধারণা প্রত্যক্ষদর্শীদের। তবে, এসব ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।

এদিকে এসব ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনার দাবিতে মধ্যরাতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন ঢাবি শাখা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার পর জগন্নাথ হলের মূল ফটকের বাইরের সড়কে ও এর কিছুক্ষণ পরই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানসংলগ্ন মেট্রোরেল স্টেশনের নিচের সড়কে বিস্ফোরণগুলো ঘটেছে।

জগন্নাথ হলের পাশের সড়িকের বিস্ফোরণ প্রসঙ্গে হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক দেবাশীস পাল জানান, তিনি নিজেও বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন। বিস্ফোরণটি হলের মূল ফটকের বাইরের সড়কে ঘটেছে বলে হলগেটের নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁকে জানিয়েছেন।

প্রাধ্যক্ষ আরও জানান, ঘটনার পর হলের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছাড়া বহিরাগতদের হলে প্রবেশে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন প্রাধ্যক্ষ দেবাশীস পাল।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী দাবি করে এক ব্যক্তি জানিয়েছেন, দুজন ব্যক্তি মোটরসাইকেলে করে এসে ককটেল নিক্ষেপ করে দ্রুত চলে গেছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে এ দাবির সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানসংলগ্ন টিএসসি মেট্রোরেল স্টেশনের নিচের সড়কে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী বিস্ফোরণের শব্দ সম্পর্কে একই সময় ও তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এসব ঘটনার বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ইসরাফিল রতন প্রাং বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম রয়েছে। ককটেল, হাতবোমা নাকি অন্য কোনো বিস্ফোরক—বিষয়টি তদন্ত করে বিস্তারিত তথ্য নেওয়া হচ্ছে।

কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত হতে পারে—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রক্টর বলেন, যারা সুষ্ঠু রাজনৈতিক পরিবেশ চায় না, এমন কোনো পক্ষ পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করতে পারে। তবে এখনই সুনির্দিষ্টভাবে কাউকে দায়ী করা যাচ্ছে না।

এ দিকে এসব ঘটনার প্রতিবাদে রাত ১২টার দিকে দিকে টিএসসি থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতা-কর্মীরা। এ সময় তাঁরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। একপর্যায়ে ক্যাম্পাসের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভ সমাবেশ করেন।

সমাবেশ থেকে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসে সন্ত্রাস, দখলদারি ও পেশিশক্তির রাজনীতি বন্ধ এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান তাঁরা।

বিক্ষোভ মিছিলে ঢাবি ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস, সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন, সাংগঠনিক সম্পাদক নাসিরুদ্দিন শাওনসহ বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভিন্ন হলের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

তাহসিফ সৌরির মৃত্যু: দীপের কথা এলোমেলো, বান্ধবীকে ঘিরে রহস্য

বিচার বিভাগের স্বায়ত্তশাসন বিচারব্যবস্থার জন্য অপরিহার্য

যুক্তরাষ্ট্রে কৌশল শিখে ঢাকায় মাদকের ল্যাব পরিচালনা, যুবক গ্রেপ্তার

‘একটা স্নাইপার থাকলেই হতো’ মন্তব্যকারী যুবক স্বীকারোক্তি শেষে কারাগারে

সাবেক রাষ্ট্রদূতের স্ত্রী হত্যা: ছেলে কারাগারে, গৃহকর্মীর জবানবন্দি

শ্রমিকদের ওপর পুলিশি হামলার প্রতিবাদে ঢাবিতে গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের মশালমিছিল

ঢামেক চত্বর ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মিলল ৩ জনের মরদেহ

রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের মামলায় ৪ দিনের রিমান্ডে অবসরপ্রাপ্ত মেজর খন্দকার হাফিজ

১৪ বছরের সাজাপ্রাপ্ত শওকত আজিজের আত্মসমর্পণ, কারাগারে পাঠালেন আদালত

আশুলিয়া-সাভারে শ্রমিক অসন্তোষ: ১৭৭ পোশাক কারখানায় ছুটি