হোম > সারা দেশ > ঢাকা

ঢামেকে গৃহকর্মীর লাশ ফেলে যাওয়া গৃহকর্তাসহ তিনজন রিমান্ডে, ‘আত্মহত্যা’ দাবি

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে কিশোরী গৃহকর্মী মীমের মরদেহ ফেলে রেখে পালানো সেই গৃহকর্তা, তাঁর স্ত্রী ও শ্বশুরকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।

আজ সোমবার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন এই আদেশ দেন। এর আগে ২৪ আগস্ট তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মাহফুজা আক্তার আসামিদের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। আদালতের শাহবাগ থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা এসআই শাহ আলম রিমান্ডের তথ্যটি জানিয়েছেন।

তিন আসামি হলেন গৃহকর্তা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার ফয়সাল আহমেদ (৩৫), তাঁর স্ত্রী গৃহকর্ত্রী রাহেমা খাতুন রেশমা (২৯) ও শ্বশুর ওষুধ ব্যবসায়ী এ বি এম আব্দুর রাজ্জাক (৪৭)।

এদিকে আসামিপক্ষ ও তাদের আইনজীবীর দাবি, গৃহকর্মী মীম আত্মহত্যা করেছিল।

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, কুমিল্লার বাসুদেব বাজার এলাকার ফজলু মিয়ার মেয়ে মীম আক্তার (১৫) প্রায় এক বছর ধরে ফয়সাল আহমেদের বাসায় গৃহপরিচারিকা হিসেবে কাজ করছিল। কাজ শুরুর পর থেকেই তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হতো। নির্যাতনের কথা সে তার পরিবারকে জানালে তাকে বাড়িতে ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় পরিবার।

এর মধ্যে ১২ আগস্ট অজ্ঞাতনামা হিসেবে মীমের মরদেহ ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে ফেলে রেখে আসামিরা পালিয়ে যান। পরে প্রযুক্তি ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে মীমের পরিচয় শনাক্ত করে পুলিশ।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ১৩ আগস্ট সকালে গৃহকর্তা ফয়সাল মীমের পরিবারকে মোবাইল ফোনে জানান, মীম বাসা থেকে টাকাপয়সা চুরি করে এক ছেলের সঙ্গে পালিয়ে গেছে। ১৭ আগস্ট মীমের পরিবারের সদস্যরা আসামিদের বাসায় গিয়ে তার খোঁজ করলে গালিগালাজ করে তাঁদের তাড়িয়ে দেওয়া হয়। পরে ২০ আগস্ট খবর পেয়ে তাঁরা শাহবাগ থানায় যান এবং পুলিশের সহায়তায় ঢামেক হাসপাতালের মর্গে সংরক্ষিত মরদেহ শনাক্ত করেন।

২১ আগস্ট মীমের মা শাহবাগ থানায় হত্যা মামলা করেন। এর আগেই আসামিরা নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের ডেমরা এলাকায় আত্মগোপন করেন। ২০ আগস্ট রাতে অভিযান চালিয়ে ডেমরার বামৈল এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন আদালত তাঁদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মীমের আত্মহত্যার দাবি

আজ আদালতে আসামিদের পক্ষে রিমান্ড বাতিল চেয়ে আবেদন করেন আইনজীবী ইলিয়াস কাঞ্চন। তিনি আদালতকে বলেন, মীম আত্মহত্যা করেছিল। আদালতের জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরাও একই কথা বলেন। আইনজীবী বলেন, মীমের দেহ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখার পর তাকে নামিয়ে আসামিরাই হাসপাতালে নিয়ে যান, কিন্তু তার আগেই মীমের মৃত্যু হলে তাঁরা ভয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেন।

আদালতের কাঠগড়ায় থাকা গৃহকর্ত্রী রেশমার কাছে ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মীম সুইসাইড করেছে। ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে সুইসাইড করেছে।

গুলশানে আ.লীগের মিছিল: সাবেক মেয়রসহ ১৪ জন রিমান্ডে

ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালস কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে

সাভারে ৫২ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, পিকআপ জব্দ

কক্সবাজারে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে জবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু ‎

শিশুকে যৌন হয়রানি: এক আসামির ১০ বছরের কারাদণ্ড

শিশু গৃহকর্মী নির্যাতনের তদন্ত প্রতিবেদন: খুন্তির ছ্যাঁকা দিতেন বিমানের সাবেক এমডির স্ত্রী

জবিতে এবার খেলাফত ছাত্র মজলিসের উদ্যোগে ‘গরুভোজ’, সন্ধ্যায় কাওয়ালি

রাজধানীতে পুলিশের অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৮১

অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবন থেকে সাবেক অতিরিক্ত সচিবের মরদেহ উদ্ধার

জুলাইয়ের নেতাদের রাজনৈতিক দল গঠন ভুল ছিল: দিলারা চৌধুরী