হোম > সারা দেশ > ঢাকা

সাংবাদিক নঈম নিজামসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা বাতিল, অব্যাহতি

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

ছবি: সংগৃহীত

দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের সাবেক সম্পাদক নঈম নিজাম, প্রকাশক ময়নাল হোসেন চৌধুরী এবং বাংলা ইনসাইডার পত্রিকার প্রধান সম্পাদক সৈয়দ বোরহান কবীরের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা এক মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ সাইদুর রহমান গাজী এই আদেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. জুয়েল মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের যে ধারায় এ মামলা করা হয়েছিল, সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশে সেই ধারাগুলো অন্তর্বর্তী সরকার বাতিল করেছে। এ জন্য আদালত তাঁদের বিরুদ্ধে করা মামলা বাতিল করে অব্যাহতির আদেশ দিয়েছেন।

এর আগে, গত বছরের ২৮ আগস্ট এ মামলায় নঈম নিজাম ও বোরহান কবীরকে আদালতে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ দিয়েছিলেন একই ট্রাইব্যুনাল। ওই দিন বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার প্রকাশক ময়নাল হোসেন চৌধুরী আদালতে হাজির হয়ে জামিন নিয়েছিলেন।

এর আগে গত বছরের ২৭ জুলাই এই তিনজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল।

এর আগে ২০২২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ব্যারিস্টার এম সারোয়ার হোসেন বাদী হয়ে নঈম নিজামসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। আদালত ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্টকে (সিআইডি) অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

মামলায় আরও যাঁদের আসামি করা হয়, তাঁরা হলেন ওয়েবসাইট ভাইরাল প্রতিদিনের অ্যাডমিন, বর্ণনাকারী, ভিডিও প্রস্ততকারী ও টেকনিশিয়ান। গত বছরের ২০ নভেম্বর তিনজনকে অভিযুক্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করেন সিআইডির উপপরিদর্শক তরিকুল ইসলাম।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২১ সালের ৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকায় ‘নুসরাতকে দিয়ে বিচ্ছু সামশু সিন্ডিকেটের ফের ষড়যন্ত্রমূলক মামলা’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয় এবং তা অনলাইনেও দেওয়া হয়।

সেখানে বলা হয়, নুসরাতের আইনজীবী হলেন ব্যারিস্টার এম সারোয়ার হোসেন। একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার সঙ্গে ব্যারিস্টার এম সারোয়ারের জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তিনি রাষ্ট্রবিরোধী গুজব ও অপপ্রচারকারী চক্রের অন্যতম হোতা। তাঁর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র ও নাশকতার একাধিক মামলা রয়েছে। মুনিয়া ইস্যু নিয়ে তাঁরা এর আগেও রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছিলেন।

এ ছাড়া আসামিরা ব্যারিস্টার সারোয়ারকে একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার হোতা হিসেবে উল্লেখ করে সেসব তথ্য ফেসবুকে ছড়িয়ে দেন।

মামলায় সারোয়ার বলেছেন, তিনি নুসরাতের আইনজীবী নন। নুসরাতের মামলার নারাজি আবেদনের শুনানিতে অংশ নিয়েছিলেন।

জানা যায়, আসামিদের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে সিআইডি। গত বছরের ২ জুন তাঁদের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন আমলে নেওয়া হয়।

জাবি শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টা: দ্রুত বিচার নিশ্চিতসহ ৫ দাবিতে শিক্ষার্থীদের মশাল মিছিল

বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যানটিনে বিস্ফোরণে দগ্ধ ১২: কারণ খতিয়ে দেখার আশ্বাস

তেজগাঁওয়ে লরির ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য ১৮টি বহুতল ভবন নির্মাণ করবে ডিএসসিসি: প্রশাসক

প্রথম দিনে ভোট পড়েছে ১৭৭১, নেই আওয়ামী লীগ প্যানেল

নগরীতে ঘন কালো মেঘের বৃষ্টিতে তলিয়ে গেল বেইলি রোড

আদালতে আসতে ভালো লাগে, অভ্যাস হয়ে গেছে- শুনানিতে লতিফ সিদ্দিকী

বসুন্ধরা সিটিতে ৯৪ কোটি টাকার সোনা আত্মসাৎ, সাবেক বিক্রয়কর্মী গ্রেপ্তার

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা, থানায় মামলা

সেই শিশুর পরিবারের অভিযোগ নেই, ঢামেক কর্মচারীকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ