হোম > সারা দেশ > ঢাকা

কুয়েতে কর্মরত এসটিএমকে সদস্যদের কর্মস্থলে ফেরানোর দাবি

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর এসটিএমকে সদস্যদের একটি অংশ কর্মস্থলে পুনর্বহাল ও কুয়েতে ফেরত পাঠানোর দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে। ছবি: সংগৃহীত

কুয়েতে কর্মরত বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর এসটিএমকে সদস্যদের একটি অংশ কর্মস্থলে পুনর্বহাল ও কুয়েতে ফেরত পাঠানোর দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে। আজ সোমবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে কুয়েতে কর্মরত কিন্তু ছুটিতে এসে আটকে পড়া এসটিএমকে সদস্যরা এ দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীরা প্রধানমন্ত্রী ও সেনাপ্রধানের হস্তক্ষেপ কামনা করে তিন দফা দাবি জানান। দাবিগুলো হলো—কুয়েত সেনাবাহিনীর দাপ্তরিক পত্রের আলোকে আটকে পড়া ২৫০ জন সদস্যকে দ্রুত কুয়েতে কর্মস্থলে পাঠানো, জমাকৃত পাসপোর্ট, কুয়েত সিভিল আইডি ও সেনা আইডি কার্ডের কার্যকারিতা নিশ্চিত করা এবং দীর্ঘদিন কর্মহীন থাকা পরিবারগুলোর জন্য স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করা।

এসটিএমকে মূলত বাংলাদেশ সামরিক বাহিনী ও কুয়েত সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি বিশেষ চুক্তি। যার অধীনে অবসরপ্রাপ্ত বাংলাদেশি সেনা সদস্যদের দক্ষ জনশক্তি হিসেবে কুয়েতের বিভিন্ন সামরিক ও নিরাপত্তা সংস্থায় কর্মসংস্থানের সুযোগ দেওয়া হয়।

সার্জেন্ট আহসান উল্লাহ ও সার্জেন্ট তুহিনুজ্জামান লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী সদস্যরা দাবি করেন, ২০২০ সালে করোনা মহামারির সময় বৈধ ছুটিতে দেশে এসে তাঁরা আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ থাকায় কুয়েতে ফিরতে পারেননি। এরপর দীর্ঘ ছয় থেকে সাত বছর ধরে প্রায় ২৫০ জন সদস্য কর্মহীন অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

লিখিত বক্তব্যে তাঁরা জানান, করোনা পরিস্থিতির কারণে কুয়েত থেকে দেশে আসার পর সেনা সদর পিএ পরিদপ্তরের নির্দেশনায় তাঁদের ‘হোম-স্টে’ অবস্থায় রাখা হয়েছিল এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে কর্মস্থলে ফেরত পাঠানোর আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে প্রশাসনিক জটিলতা, দীর্ঘসূত্রতা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে তাঁরা কুয়েতে ফিরতে পারেননি।

তাঁদের দাবি, কুয়েত সেনাবাহিনী ২০২০ সালে একটি দাপ্তরিক চিঠির মাধ্যমে তাঁদের পুনরায় কর্মস্থলে ফিরিয়ে নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করলেও বাংলাদেশ সেনা সদরের কার্যকর উদ্যোগের অভাবে তা বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে ৫৫৭ জন সদস্যের মধ্যে প্রায় ২৫০ জন দীর্ঘদিন ধরে কর্মসংস্থানহীন অবস্থায় রয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ২০২১ সালের ১৮ অক্টোবর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছিল। একই সময়ে যোগাযোগ রক্ষার জন্য সেনা সদরের উদ্যোগে একটি অনলাইন ভাইবার গ্রুপও খোলা হয়। তবে দীর্ঘ অনিশ্চয়তা ও আর্থিক সংকটের কারণে কয়েকজন সদস্য মৃত্যুবরণ করেছেন বলেও দাবি করেন তাঁরা।

ভুক্তভোগী সদস্যরা আরও অভিযোগ করেন, ২০২১ সালের ৫ অক্টোবর কুয়েত থেকে ৭৭২ জন নতুন জনবলের চাহিদা এলেও তাঁদের মতো অভিজ্ঞ সদস্যদের পাঠানো হয়নি। এ ছাড়া আদালতে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার করলে দ্রুত কুয়েত পাঠানোর আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। সেই আশ্বাসের ভিত্তিতে প্রায় ২৫০ জন সদস্য মামলা প্রত্যাহার করে প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দিলেও পরবর্তীতে আর কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তাঁরা।

ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের মিছিলের প্রস্তুতিকালে ১০ জন গ্রেপ্তার

দুর্নীতির মামলায় পি কে হালদারের সহযোগী অভিজিতের ৭ বছরের কারাদণ্ড

রাজধানীতে মধ্যরাতে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটের আঘাতে আহত তরুণ মারা গেছেন

কেরানীগঞ্জে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল

হত্যা মামলায় সাবেক বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন নামঞ্জুর

প্রতারণার মামলায় চিত্রনায়িকা ববির কথিত স্বামী বাশার ২ দিনের রিমান্ডে

সাভারে বজ্রপাতে ৩ কৃষকের মৃত্যু

ইকরার আত্মহত্যা মামলা: অভিনেতা যাহের আলভীর ১০ দিন রিমান্ড চায় পুলিশ

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের তাগিদ

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে সরকার জনবিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে: দিলারা চৌধুরী