হোম > সারা দেশ > ঢাকা

তেজগাঁও কলেজের মসজিদে বৈঠকে ‘উগ্রবাদী’ সংগঠন গড়ার পরিকল্পনা চলছিল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

সচিবালয়ে সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ছবি: আজকের পত্রিকা

তেজগাঁও কলেজের মসজিদে জুমার নামাজের পর কয়েকজনের অবস্থান ও আলোচনার ঘটনায় গ্রেপ্তার ১২ জনের উগ্রবাদী তৎপরতার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

আজ রোববার সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর সচিবালয়ে সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালিয়ে সম্ভবত ২৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তাঁদের টেলিফোন ফরেনসিক পরীক্ষা ও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এর মধ্যে ১১ জনের বিরুদ্ধে তেমন কোনো সাক্ষ্য-প্রমাণ বা তথ্য পাওয়া যায়নি। পরে অভিভাবক ও সমাজের মুরুব্বিদের ডেকে তাঁদের কাছে ওই ১১ জনকে হস্তান্তর করা হয়।

অন্যদের বিষয়ে মন্ত্রী জানান, টেলিফোন ফরেনসিক ও জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী তাঁরা ‘ইত্তেহাদুল উম্মাহ’ নামে একটি সংগঠন গঠন করে খেলাফত প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করছিলেন।

তাঁদের কর্মকাণ্ডকে উগ্রবাদী তৎপরতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি রয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে এবং রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তদন্তের মাধ্যমে এ বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়া যাবে।

গত শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ফার্মগেট এলাকার তেজগাঁও কলেজের মসজিদ থেকে উগ্রবাদী সংগঠনের সদস্য সন্দেহে ২৩ জনকে আটক করে পুলিশ। পরে শনিবার ১১ জনকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। বাকি ১২ জনকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে আদালত থেকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়।

এ সময় পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা ‘মিটআপ’ নামে একটি গোপন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের সদস্য। ওই গ্রুপের মাধ্যমে তাঁরা উগ্রবাদী কথাবার্তা চালাতেন ও বিভিন্ন বিষয়ে যোগাযোগ করতেন। তাঁরা নাশকতার উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়েছিলেন।