রাজধানীর মোহাম্মদপুরে সন্ত্রাসীদের হামলায় মো. ইব্রাহিম নামের এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। তিনি জুলাই আন্দোলনের সময় মোহাম্মদপুর থানা ছাত্র সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, গতকাল রোববার রাতে মোহাম্মদপুর বেড়িবাঁধ এলাকার ময়ূর ভিলা সংলগ্ন নূর মসজিদের পাশের একটি চায়ের দোকানে বসে ছিলেন ইব্রাহিম। এ সময় একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে কয়েকজন দুর্বৃত্ত সেখানে এসে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাঁকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে দ্রুত পালিয়ে যায়।
স্থানীয়রা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময়ে একজনের পরনে বোরকা পরিহিত ছিল অন্যজনের মুখে মাস্ক পরিহিত ছিল অল্প সময়ে এই ঘটনা ঘটিয়ে ঘটনা স্থান থেকে দ্রুত পালিয়ে যায়।
ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে রাজধানীর জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) ভর্তি করেন। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক।
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, ইব্রাহিম জুলাই আন্দোলন চলাকালে সংঘটিত একটি ছাত্র হত্যা মামলার গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী ছিলেন। পাশাপাশি তিনি মোহাম্মদপুর থানা ছাত্র সমন্বয়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছিলেন।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। তবে হামলার সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কোনো তথ্য জানা যায়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি তদন্ত করছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে মোহাম্মদপুর থানার ওসি অপারেশন মফিজ উদ্দিন বলেন, ‘একজনকে কুপিয়ে জখম করার ঘটনা ঘটেছে। আমরা ঘটনা স্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। তদন্ত করে সর্বোচ্চ আইনের সহায়তা দেওয়া হবে ভুক্তভোগীকে, এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার জন্য অলরেডি পুলিশ মাঠে কাজ করছে।’
ভুক্তভোগী ইব্রাহিমের মামা মো. রুবেল মিয়া বলেন, ‘আমাদের বাসা ময়ূর ভিলার ঢালে। আমার ভাগনে ছাত্র সমন্বয়ক এবং এনসিপির রাজনীতি করে। তাঁকে কেনো এভাবে কুপিয়েছে তা আমরা জানি না। বর্তমানে জাতীয় পঙ্গু হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে রয়েছে।’