ঢাকার মিরপুরের ডিওএইচএসের বাসায় ইকরার মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলায় ছোট পর্দার অভিনেতা মো. নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া ওরফে যাহের আলভীকে ২ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ কারাগারে পাঠানোর এ নির্দেশ দেন।
দুই দিনের রিমান্ড শেষে আসামিকে আদালতে হাজির করে ডিবি পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পরিদর্শক আব্দুল মালেক তাঁকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গত ২১ জুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের ডিবি পরিদর্শক আব্দুল মালেক আদালতে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন। ২৪ জুন আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরে তাকে কারাগার থেকে রিমান্ডে নেওয়া হয়। এর আগে ১৮ জুন আদালতে আত্মসমর্পণ করার পর যাহের আলভীকে কারাগারে পাঠানো হয়।
গত ১ মার্চ বেলা পৌনে ১২টার দিকে বাসার সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় অভিনেতা আলভীর স্ত্রী ইকরাকে উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যরা। পরে বাসার মালিকসহ স্বজনেরা মিলে তাঁকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
পরে পুলিশ খবর পেয়ে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট করাসহ বাসা থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে।
এ দিকে ইকরার আত্মহত্যার ঘটনায় ওই দিন রাতেই মামলা করেন তার মামা শেখ তানভীর আহমেদ। দীর্ঘদিনের ‘পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের কারণেই’ তার ভাগনি ইকরা আত্মহত্যা করতে ‘বাধ্য হয়েছেন’ বলে মামলায় অভিযোগ করেন তিনি।
উল্লেখ্য আলভীর মা নাসরিন সুলতানা শিউলিকে এ মামলায় আসামি করা হয়। নাসরিন সুলতানা ইতিপূর্বে আদালতে আত্মসমর্পণ করার পর তাঁকে জামিন দেওয়া হয়।