হোম > সারা দেশ > ঢাকা

নতুন বৈধ বালুমহাল ইজারার দাবি বাল্কহেড মালিক সমিতির

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

ঢাকার আশপাশে নতুন বৈধ বালুমহাল চিহ্নিত করে দ্রুত ইজারার দাবি জানিয়েছে বাল্কহেড মালিক সমিতি। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকার আশপাশে নতুন বৈধ বালুমহাল চিহ্নিত করে দ্রুত ইজারা দেওয়াসহ ছয় দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ বাল্কহেড মালিক সমিতি। সংগঠনটি বলছে, ভোলার ইলিশায় মেঘনা-১,২, ৩ ও ৪ বালুমহাল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পদ্মা, মেঘনা, শীতলক্ষ্যা, ধলেশ্বরী ও ব্রহ্মপুত্র নদীকেন্দ্রিক সহস্রাধিক বাল্কহেডের চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

আজ রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সভাপতি মারফত মিঝি এসব দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ঢাকার আশপাশে বর্তমানে কোনো বৈধ বালুমহাল না থাকায় বাল্কহেড ও ড্রেজার কর্মহীন হয়ে পড়েছে। এতে এসব নৌযানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিপুলসংখ্যক শ্রমিক জীবিকা হারিয়েছেন। একই সঙ্গে বালি সরবরাহের সংকটে সরকারি-বেসরকারি অবকাঠামো উন্নয়ন ও মেগা প্রকল্পের কাজও ব্যাহত হচ্ছে বলে দাবি করেছে সংগঠনটি।

সংগঠনটির প্রধান দাবি, ‘বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০’ অনুযায়ী ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, চাঁদপুর, শরীয়তপুর, ভোলা ও বরিশালের নৌপথে পরিবেশ সমীক্ষা চালিয়ে নতুন বৈধ বালুমহাল চিহ্নিত করতে হবে। এরপর উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে এসব বালুমহাল ইজারা দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

ছয় দফা দাবির মধ্যে আরও রয়েছে বৈধ বালুমহাল, বাল্কহেড, ড্রেজার ও শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নৌ ও স্থানীয় প্রশাসন, ইজারাদার, বাল্কহেড মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে যৌথ তদারকি কমিটি গঠন।

এ ছাড়া নৌপথে চুরি, ডাকাতি, অসাধু জেলেদের তাণ্ডব ও অবৈধ চাঁদাবাজি বন্ধে নৌ পুলিশ ও কোস্ট গার্ডের টহল জোরদার, নিরাপদ নৌপথে বিধি অনুযায়ী রাতে বাল্কহেড চলাচলের সুযোগ এবং হয়রানিমূলক মামলা বন্ধের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

চলন্ত নৌযান থামিয়ে বিআইডব্লিউটিএ বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের নামে অবৈধ অর্থ আদায় এবং যত্রতত্র মনগড়া টোল আদায় বন্ধেরও দাবি জানানো হয়েছে।

এ সময় বলা হয়, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নতুন বৈধ বালুমহাল ইজারার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে সকল নদীপথে বাল্কহেড ও ড্রেজার চলাচল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার মতো কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবে বাংলাদেশ বাল্কহেড মালিক সমিতি।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ বাল্কহেড মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. ফারুক হোসেন ও সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জামান খান উপস্থিত ছিলেন।