হোম > সারা দেশ > ঢাকা

পৃথক ২ মামলায় গ্রেপ্তার সুজন ও শাহজাহান ওমর

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

নূরুল ইসলাম সুজন ও শাহজাহান ওমর। ছবি: সংগৃহীত

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন ঘিরে দুজন নিহত হওয়ার ঘটনায় করা পৃথক হত্যা মামলায় সাবেক রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন ও সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমরকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আজ রোববার পৃথক আদেশে তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দেন।

নূরুল ইসলাম সুজন ও শাহজাহান ওমরকে আজ কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। তাঁকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট মোহাম্মদ পারভেজ মিয়া হত্যার ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানায় করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখাতে ১৯ আগস্ট আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানির ধার্য দিনে আজ রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী হারুন অর রশীদ তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানোর পক্ষে শুনানি করেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী মোর্শেদ আলম শাহীন এর বিরোধিতা করেন।

শুনানির একপর্যায়ে কাঠগড়ায় দাঁড়ানো নূরুল ইসলাম সুজন আদালতের অনুমতি নিয়ে বলেন, ‘আমি পঞ্চগড় জেলা আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেছি। আমি সেখান থেকে নির্বাচিত এমপি। আমার রাজনীতির ক্যারিয়ার ওখানেই। ওইখানে আমি ৪০ বছর ধরে অবস্থান করেছি। সর্বশেষ আমি রেলমন্ত্রী হিসেবে ছিলাম। একটি মামলায় জামিন হলে আরেকটি মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হচ্ছে। কিসের ভিত্তিতে দেখানো হচ্ছে তা আপনার (বিচারক) বিবেচনা করা উচিত...।’

শুনানি শেষে সুজনকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ্ ফারজানা হক।

এদিকে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শ্যামলী ক্লাব মাঠের বিপরীত পাশে স্থানীয় বিএনপি নেতা ইসহাক জোমাদ্দার নিহত হওয়ার ঘটনায় আদাবর থানায় করা হত্যা মামলায় ঝালকাঠি-১ আসনের সাবেক এমপি শাহজাহান ওমরকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানি শেষে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম।

পরে দুজনকেই আবার কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়।

সুজনকে ২০২৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে শ্যামলীর একটি হাসপাতাল থেকে আটকের পর বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো ও রিমান্ডে নেওয়া হয়। ২০২৪ সালের ২০ নভেম্বর গ্রেপ্তারের পর থেকে শাহজাহান ওমর কারাগারে রয়েছেন।