হোম > সারা দেশ > ঢাকা

দিল্লিতে পুলিশি হামলার প্রতিবাদে গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের মশাল মিছিল

ঢাবি প্রতিনিধি, ঢাকা

ঢাকা ক্যাম্পাস এলাকায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের মশাল মিছিল। ছবি: আজকের পত্রিকা

দিল্লিতে ‘পার্লামেন্ট মার্চ’ কর্মসূচিতে ছাত্র-জনতার ওপর বিজেপি সরকারের দমননীতি ও পুলিশি হামলার নিন্দা এবং চলমান আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাকা) মশাল মিছিল করেছে ‘গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট’। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) থেকে এই মশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

মিছিলটি টিএসসি থেকে ভিসি চত্বর, মল চত্বর, হলপাড়া ও কেন্দ্রীয় মসজিদ হয়ে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। এ সময় তাদের ‘হাসিনা গেছে যেই পথে, মোদি যাবে সেই পথে’, ‘হাসিনা পোষা মোদি, ছাড়তে হবে গদি’, ‘ভারত থেকে বাংলাদেশ, ফ্যাসিবাদের দিন শেষ’, ‘ভারত থেকে বাংলাদেশ, সাম্প্রদায়িকতার দিন শেষ’, ‘ভারতীয় বীর জনতা, বাংলাদেশ তোমাদের সঙ্গে’, ‘লাঠি-গুলি অনেক হলো, এবার মোদি গদি ছাড়ো’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়।

সমাবেশে বিপ্লবী ছাত্র যুব আন্দোলনের সংগঠক অরুণ আবু আশরাফ বলেন, ভারতের বর্তমান পরিস্থিতি আমাদের খুব পরিচিত। দুই বছর আগে জুলাই মাসে আমরাও এমন একটি ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে গিয়েছি। ভারতের এই লড়াই সমগ্র ভারতে ছড়িয়ে পড়েছে। মূলত কর্মসংস্থানের সংকট ও চাকরির পরীক্ষায় ব্যাপক অনিয়মের ক্ষোভ থেকেই এই আন্দোলনের সূত্রপাত, যা আমাদের দেশের কোটা সংস্কার আন্দোলনের মতোই।

আবু আশরাফ আরও বলেন, কেবল চাকরির সংস্কার দিয়ে এই সমস্যার চূড়ান্ত সমাধান সম্ভব নয়, এর জন্য সমাজব্যবস্থার সামগ্রিক পরিবর্তন প্রয়োজন। আমাদের দেশে ছাত্র-জনতার ওপর নিপীড়ন চালিয়ে যেমন স্বৈরাচারী হাসিনার পতন ত্বরান্বিত হয়েছিল, মোদির বিজেপি সরকারও আজ ঠিক একই পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। তাই ভারতের কৃষক, শ্রমিক, আদিবাসী, নারীসহ সমগ্র নিপীড়িত জনতার এই গণতান্ত্রিক ও বিপ্লবী সংগ্রামের প্রতি আমরা পূর্ণ সমর্থন ও সংহতি জানাই।

সমাবেশে সমাপনী বক্তব্যে ছাত্রনেতা রফিকুজ্জামান করিম বলেন, ভারতের শিক্ষার্থীরা মূলত শিক্ষাব্যবস্থার বাণিজ্যিকীকরণ, বেসরকারিকরণ ও মেডিকেল-ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে লড়ছে। প্রশ্নফাঁসের কারণে ভবিষ্যৎ হুমকির মুখে পড়ায় প্রায় ২৫ জনের মতো শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। এর প্রতিবাদে এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে তারা যখন যন্তর মন্তরে জড়ো হয়, তখন বিজেপি সরকার তাদের ওপর লাঠিপেটা ও গুলি চালিয়েছে।

রফিকুজ্জামান আরও বলেন, দমন-পীড়ন চালিয়েও ভারতের ছাত্র-জনতাকে দমানো যায়নি। জাত-পাত ও ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে হাজার হাজার শিক্ষার্থী আজ দিল্লির রাজপথে নেমে এসেছে, যা আমাদের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সৌন্দর্যকেই মনে করিয়ে দেয়। তাদের আন্দোলন এখন আর শুধু শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগে সীমাবদ্ধ নেই, তারা ফ্যাসিস্ট নরেন্দ্র মোদি ও বিজেপি সরকারের পতন দাবি করছে। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, ভারতবর্ষের শাসকগোষ্ঠী এবং ভারতের জনগণ আলাদা। ভারতীয় শাসকগোষ্ঠীর আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে দুই দেশের জনগণ যৌথভাবে লড়াই করবে। ভারতের ছাত্র-জনতার এই লড়াই যত দিন চলবে, বাংলাদেশের ছাত্র সমাজ তাদের পাশে থেকে সমর্থন জুগিয়ে যাবে।

সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক ফাহিম আহমেদ চৌধুরী, গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির সদস্য মারজিয়া প্রভা, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক জাবির আহমেদ জুবেল। সমাবেশটি সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শিমুল কুম্ভকার।

‘রক্তাক্ত হাত নিয়েই কাজে যাতি হয়’

৪ বছর পর চাকরি ফিরে পেলেন ‘টিপ-কাণ্ডে’ বরখাস্ত পুলিশ কনস্টেবল

মহাসড়কে ডাকাতি রোধ ও যানজট কমাতে জোর দেবে হাইওয়ে পুলিশ

টিআইবির প্রতিবেদনের সঙ্গে পুলিশের পরিসংখ্যানের মিল নেই: ডিএমপি কমিশনার

হাতিরঝিলে সন্তানসহ নারীর আত্মহত্যাচেষ্টা, উদ্ধার করলেন আনসার সদস্যরা

আসামি নন, কিন্তু নামের মিলে কারাভোগ—পেলেন ৩০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ

সালমান শাহ হত্যা মামলা: তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পিছিয়ে ৩০ আগস্ট

কম্বোডিয়ায় চাকরির প্রলোভনে নারী পাচার চক্রের মূল হোতা গ্রেপ্তার: সিআইডি

কে সাংবাদিক আর কে সাংবাদিক নয়, তা নির্ধারণে কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী

শিক্ষার্থীর ওপর হামলা: অভিযুক্ত জবি ছাত্রদল নেতা শের আলী বহিষ্কার