হোম > সারা দেশ > ঢাকা

নাগরিকদের ভালো অভ্যাসের উৎসাহ দিতে ‘সিটি ইন্সপেক্টর’ নামাচ্ছে ডিএসসিসি

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

‘নিজে বদলাই, ঢাকা বদলাবে’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। ছবি: আজকের পত্রিকা

নাগরিকদের মধ্যে পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিষয়ক সু–অভ্যাস গড়ে তুলতে ‘সিটি ইন্সপেক্টর’ কার্যক্রম চালু করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। ডিএসসিসি এবং ‘আছি বাংলাদেশ’ (আমেরিকান এফোর্ডেবল কমিউনিটি হেলথকেয়ার ইনিশিয়েটিভ) এর অর্থায়নে রাজধানীর মতিঝিলের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে ‘পরিচ্ছন্ন আঙিনা’ শীর্ষক একটি পাইলট প্রকল্পের আওতায় ২০ জন সিটি ইন্সপেক্টর মাঠ পর্যায়ে কাজ করবেন।

আজ বুধবার নগর ভবন মিলনায়তনে ‘নিজে বদলাই, ঢাকা বদলাবে’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মতিঝিল এলাকায় পরিবেশ উন্নয়ন, বায়ুদূষণ হ্রাস, ডেঙ্গু প্রতিরোধ এবং নিরাপদ ও সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে ‘আঙিনা পরিষ্কার, শহর পরিষ্কার’ শীর্ষক এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

ডিএসসিসি জানায়, আগামী ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত ছয় মাসব্যাপী চলা এ প্রকল্পে ২০ জন সিটি ইন্সপেক্টর মাঠপর্যায়ে কাজ করবেন। মতিঝিল এলাকার পরিবেশ উন্নয়ন, বায়ুদূষণ হ্রাস, ডেঙ্গু প্রতিরোধ এবং নিরাপদ ও সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মো. আবদুস সালাম বলেন, একটি শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখা শুধু সিটি করপোরেশনের একক দায়িত্ব নয়; এর জন্য প্রয়োজন নাগরিকদের সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ। শহরের প্রতিটি বাড়ি, দোকান ও প্রতিষ্ঠানের আঙিনা পরিচ্ছন্ন থাকলে পুরো নগরই বাসযোগ্য হয়ে উঠবে।

প্রশাসক বলেন, মতিঝিলের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে শুরু হওয়া এ কর্মসূচি ভবিষ্যতে পুরো নগরের জন্য একটি অনুকরণীয় মডেল হিসেবে কাজ করতে পারে।

ডিএসসিসির এ প্রশাসক আরও বলেন, সিটি ইন্সপেক্টরদের মূল দায়িত্ব হবে নাগরিকদের সচেতন করা এবং পরিচ্ছন্নতার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে সহায়তা করা। স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও পরিচ্ছন্নতার মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নাগরিকদের সচেতনতা বাড়লে ডেঙ্গুর প্রকোপ, ধুলাবালি, বায়ুদূষণ ও জলাবদ্ধতার মতো সমস্যাও অনেকাংশে কমে আসবে।

আব্দুস সালাম জানান, মতিঝিলের ৯ নম্বর ওয়ার্ডকে একটি আদর্শ ওয়ার্ডে পরিণত করা গেলে পর্যায়ক্রমে ডিএসসিসির অন্যান্য ওয়ার্ডেও এ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।

ডিএসসিসি জানিয়েছে, প্রকল্পের আওতায় মতিঝিল এলাকাকে ১০টি জোনে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি জোনে দায়িত্বপ্রাপ্ত সিটি ইন্সপেক্টররা বাড়ি, দোকান ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গিয়ে নাগরিকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করবেন, সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করবেন এবং এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেবেন।

এ ছাড়া নাগরিকেরা নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলছেন কি না এবং পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করছেন কি না তা পর্যবেক্ষণ ও জরিপ করা হবে। অনুষ্ঠানে ‘আছি বাংলাদেশ’-এর প্রতিনিধিরা, সিটি ইন্সপেক্টররা, ডিএসসিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

মোহাম্মদপুরে ইন্টারনেটের অফিসে হামলা-লুটের অভিযোগ

প্রবাসীর ছেলেকে অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে গ্রেপ্তার ২

ইউনেসকোর স্বীকৃতি পেল চলনবিলের ভাসমান বিদ্যালয়

মিরপুরে চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে ব্যাগ ছিনতাইয়ের চেষ্টা, ৩ জনকে এক বছরের কারাদণ্ড

যাত্রাবাড়ীতে পিস্তল-গুলিসহ গ্রেপ্তার ৩

উত্তরা ইউনিভার্সিটির বাস উল্টে আহত ২৪

পল্লবীতে গুলিবিদ্ধ ‘২ জনের’ খোঁজ পাচ্ছে না পুলিশ

ঢামেক এলাকায় দুই বাসের চাপায় প্রাণ গেল ওষুধ কোম্পানির কর্মচারীর

স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বিল্লাল হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দুই ব্যক্তি রিমান্ডে

রায় ঘোষণার আগে নাসির-তামিমার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন