হোম > সারা দেশ > ঢাকা

৬টি বন্ধ চিনিকল চালুর দাবি, না মানলে ১০ আগস্ট ‘মার্চ টু পিএমও’

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

৬টি বন্ধ চিনিকল চালুর দাবিতে আজ জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল রক্ষা সংগ্রাম জাতীয় কমিটি। ছবি: আজকের পত্রিকা

রাষ্ট্রায়ত্ত ৬টি বন্ধ চিনিকল আধুনিকীকরণ করে পুনরায় চালুর সরকারি ঘোষণা বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল রক্ষা সংগ্রাম জাতীয় কমিটি। একই সঙ্গে চিনিকলগুলো চালুর জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ নিশ্চিত করা এবং কোনোভাবেই এসব প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি ব্যক্তিমালিকানায় হস্তান্তর না করার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি। এ বিষয়ে আগামী এক মাসের মধ্যে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত না হলে ১০ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে ‘মার্চ টু পিএমও’ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। এ সময় এক লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল রক্ষা সংগ্রাম জাতীয় কমিটির সদস্য আব্দুল্লাহ আল কাফি রতন।

সংগঠনের নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আগামী এক মাসের মধ্যে সরকার সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত না নিলে ‘মার্চ টু পিএমও’ কর্মসূচির মাধ্যমে স্মারকলিপি প্রদান করা হবে। সব কর্মচারী-শ্রমিকদের নিয়ে পর্যায়ক্রমে রাজপথেও কর্মসূচি করতে বাধ্য হবেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর বন্ধ শিল্পকারখানা পুনরায় চালুর দাবিতে বিভিন্ন উদ্যোগের অংশ হিসেবে সরকার একটি টাস্কফোর্স গঠন করে। টাস্কফোর্সের সুপারিশের ভিত্তিতে শিল্প মন্ত্রণালয় ২০২৪ সালের ৩ ডিসেম্বর তিন ধাপে ৬টি চিনিকলের মাড়াই কার্যক্রম পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নেয়।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রথম ধাপে শ্যামপুর ও সেতাবগঞ্জ, দ্বিতীয় ধাপে পঞ্চগড় ও পাবনা এবং তৃতীয় ধাপে কুষ্টিয়া ও রংপুর চিনিকল চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়।

নেতাদের ভাষ্য, চলতি মৌসুমে প্রথম পর্যায়ে শ্যামপুর ও সেতাবগঞ্জ চিনিকল চালুর জন্য একাধিক সভা ও প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম প্রায় সম্পন্ন হলেও অর্থ মন্ত্রণালয়ের অসম্মতির কারণে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। ফলে ২০২০ সালে জারি করা মাড়াই স্থগিতাদেশ কার্যত বহাল রাখা হয়েছে।

তাঁদের অভিযোগ, ২০২০ সালের ডিসেম্বরে তৎকালীন সরকার দেশি-বিদেশি চক্রান্ত ও আমদানিনির্ভর ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর স্বার্থে ৬টি রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল বন্ধ করে দেয়। বর্তমান অবস্থান জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনার পরিপন্থী এবং এর মাধ্যমে চিনি আমদানিকারক সিন্ডিকেটের স্বার্থ সংরক্ষণ করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, এতে চাকরিচ্যুত শ্রমিক-কর্মচারীদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে এবং উত্তরাঞ্চলের কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষের জীবিকাও হুমকির মুখে পড়েছে।

চিনিকলগুলোকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের জন্য দুর্নীতি বন্ধ, আধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজন, কারখানা সংস্কার ও আধুনিকায়ন, আখের ক্রয়মূল্য বৃদ্ধি, আখচাষিদের কৃষিঋণ প্রদান, উচ্চফলনশীল জাতের আখ চাষ সম্প্রসারণ এবং চিনির উপজাতভিত্তিক শিল্পের বিকাশের দাবি জানানো হয়।

সংগঠনের নেতারা বলেন, নতুন সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকারের মধ্যে বন্ধ কল-কারখানা চালু ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি অন্যতম। তাই সরকারের উচিত পূর্বের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে ৬টি চিনিকল পুনরায় চালু করা এবং প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করা।

দাবি আদায়ে আগামী ১ থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন চিনিকল এলাকায় প্রচার ও জনসংযোগ কর্মসূচি পালন করা হবে। এরপর ১০ আগস্ট ঢাকায় ‘মার্চ টু পিএমও’ কর্মসূচি পালন করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি মানস নন্দী, একই নামে অন্য সংগঠনের সভাপতি জহুরুল ইসলাম, রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল রক্ষা সংগ্রাম জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক কামরুজ্জামান ফিরোজ, সদস্য শামীম ইমাম এবং ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশনের সভাপতি ফয়জুল হাকিম লালা প্রমুখ।

ইকরার আত্মহত্যা মামলা: অভিনেতা জাহের আলভী আত্মসমর্পণের পর কারাগারে

সাগর-রুনি হত্যা: ১২৭ বার পিছিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ২২ জুলাই

অস্ট্রেলিয়ায় চাকরির প্রলোভন: ওমানপ্রবাসীর সঙ্গে প্রতারণায় গ্রেপ্তার ২

হামে শিশুমৃত্যুর প্রতিবাদে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল—ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ৩

আশুলিয়ায় ১১ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

মশা, জলাবদ্ধতা, নাগরিক সনদ ও অবৈধ দখল নিয়ে অভিযোগ, সমাধানের আশ্বাস প্রশাসকের

কেরানীগঞ্জে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে যুবকের মৃত্যু

পুলিশে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা, সিআইডির হাতে গ্রেপ্তার ২

আদাবরে বিকাশ এজেন্টকে কুপিয়ে ছিনতাই, শীর্ষ সন্ত্রাসী এক্সেল বাবুসহ গ্রেপ্তার ৬

অবৈধ পথে গ্রিস যাত্রায় ১৮ বাংলাদেশির মৃত্যু: পাচারকারী চক্রের সদস্য গ্রেপ্তার