রাজধানীর পল্লবী থেকে শীর্ষ সন্ত্রাসী সোয়েব হোসেন মুন্না ওরফে ভাগিনা মুন্নাকে (৫৩) বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। তাঁর বিরুদ্ধে ৩০টির বেশি মামলা ও ১৭টি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে বলে জানা গেছে। পল্লবীর ইস্টার্ন হাউজিং এলাকা থেকে আজ সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ভোরে তাঁকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-৪।
পরে জিজ্ঞাসাবাদে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তুরাগের হরিরামপুর এলাকার বাংলোবাড়ি থেকে একটি অবৈধ বিদেশি পিস্তল, ১৭ রাউন্ড গুলি ও দুটি ম্যাগাজিন জব্দ করা হয়।
এ বিষয়ে র্যাব-৪-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপস অ্যান্ড মিডিয়া অফিসার) কে এন রায় নিয়তি বলেন, ‘আমরা গোয়েন্দা সূত্রে জানতে পারি, নির্বাচনকে সামনে রেখে পল্লবী এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী সোয়েব হোসেন মুন্না ওরফে ভাগিনা মুন্না অস্ত্রসহ নাশকতা করার জন্য এলাকায় প্রবেশ করেছে। ওই তথ্যের ভিত্তিতে পল্লবীর ইস্টার্ন হাউজিং এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে মুন্নার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তুরাগের বাংলোবাড়ি থেকে বিদেশি পিস্তল ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।’
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নিয়তি বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মুন্না জানান, উদ্ধার করা অবৈধ অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তিনি রাজধানীর তুরাগ, মিরপুর, কাফরুল, পল্লবী, ভাষানটেক, ক্যান্টনমেন্ট থানাসহ আশপাশের এলাকায় চাঁদাবাজি, আধিপত্য বিস্তারসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করতেন। এ ছাড়া তিনি পিস্তলটি বিভিন্ন পেশাদার অপরাধীদের ভাড়া দিতেন—যা দিয়ে অপরাধীরা খুন, চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাতেন।
কে এন রায় নিয়তি আরও বলেন, গ্রেপ্তার করা শীর্ষ সন্ত্রাসী মুন্নার বিরুদ্ধে প্রাথমিক তদন্তে বিভিন্ন থানায় ৩০টির বেশি মামলা ও ১৭টি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।