জাতীয় পার্টির সাবেক সাংসদ করিম উদ্দিন ভরসার এক ছেলে হত্যায় আরেক ছেলে কবিরুল ইসলামের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। ডেথ রেফারেন্স শুনানি শেষে আজ বুধবার বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল করিম ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের বেঞ্চ এই রায় দেন।
২০০৯ সালের ২৭ এপ্রিল ছোট ভাই খায়রুল ইসলাম ভরসা ওরফে কাজলকে রাজধানীর বিজয়নগরের নিউ এইচ টোব্যাকো অফিসে গুলি করে হত্যা করেন বড় ভাই কবিরুল। হত্যাকাণ্ডের পর নিহত ব্যক্তির শ্যালক ইমরান হোসেন বাদী হয়ে পল্টন থানায় মামলা করেন। সেখানে কবিরুল ইসলাম ভরসাকে একমাত্র আসামি করা হয়।
ঘটনার ২৩ দিনের মাথায় রাজধানীর উত্তরখানের একটি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র থেকে কবিরুলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আদালতে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেন। পরে জামিনে বেরিয়ে পালিয়ে যান। ব্যবসা নিয়ে বিরোধের কারণে কবির ছোট ভাইকে গুলি করে হত্যা করেন বলে তখন জানা যায়।
কবিরুল করিম উদ্দিন ভরসার দ্বিতীয় স্ত্রীর প্রথম এবং নিহত খায়রুল তৃতীয় সন্তান। বিচার শেষে ২০১৬ সালের ১১ এপ্রিল আদালত কবিরকে মৃত্যুদণ্ড দেন। নিয়ম অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়। আদালতে আসামিপক্ষে ছিলেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম। তিনি জানান, কবির পলাতক।
এদিকে করিম উদ্দিন ভরসাকে নিয়ে মামলা চলমান রয়েছে উচ্চ আদালতে। ছেলে মো. সাইফুল উদ্দিন ভরসার (শিমুল) তত্ত্বাবধানে থাকা করিম ভরসাকে হাজির করতে রিট করেছেন তাঁর ৯ সন্তান।