রাজধানীর সায়েদাবাদে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারামারিতে ফকির আলমগীর (৫২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তিনি বাসের হেলপার হিসেবে কাজ করতেন।
আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে বাস মালিক সমিতির কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতের ছেলে রবিউল আওয়াল জানান, তাঁদের গ্রামের বাড়ি চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার আলীগঞ্জে। বর্তমানে তাঁরা সায়েদাবাদের করাতিটোলায় থাকেন। তাঁর বাবা বাসের হেলপার হিসেবে কাজ করতেন। পাশাপাশি দিনের বেলায় ভ্যানে করে শরবত বিক্রি করতেন। তাঁর মা টুনি আক্তার সায়েদাবাদ বাস মালিক সমিতির কার্যালয়ের সামনে খিচুড়ি বিক্রি করেন।
রবিউল আওয়াল জানান, সকালে বাস মালিক সমিতির কার্যালয়ের সামনে এক নারী ঝাড়ু দিচ্ছিলেন। এ সময় তাঁর মা টুনি আক্তারের সঙ্গে ওই নারীর তর্কাতর্কি হয়। পাশে তাঁর বাবা ও তিনি নিজেও দাঁড়িয়ে ছিলেন। একপর্যায়ে ঝাড়ু দিতে আসা ওই নারীর ছেলে শুক্কুর আলী সেখানে এসে তাঁর বাবার সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় শুক্কুর আলী তাঁর বাবার বুকে এলোপাতাড়ি ঘুষি মারেন বলে অভিযোগ করেন রবিউল।
রবিউল আওয়াল বলেন, ঘুষির পর তাঁর বাবা রাস্তায় পড়ে যান। এ সময় রাস্তার পাশে থাকা ভাঙা ইটের একটি অংশ তাঁর মাথায় ঢুকে যায়। পরে দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ফকির আলমগীরকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে যাত্রাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাকিব বলেন, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই নারীর মধ্যে তর্কাতর্কি হয়। একপর্যায়ে মারামারিতে রাস্তায় পড়ে গিয়ে ওই ব্যক্তি মারা যান বলে জানা গেছে। ঘটনাটি বিস্তারিত তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানান তিনি।