চিত্রনায়ক সালমান শাহ (চৌধুরী মুহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন) হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পিছিয়ে আগামী ৩০ আগস্ট দিন ধার্য করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা এই তারিখ ধার্য করেন।
আজ প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রমনা থানার পুলিশ পরিদর্শক আতিকুল ইসলাম খন্দকার প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় আদালত নতুন তারিখ ধার্য করেন। এই নিয়ে ৬ষ্ঠ বারের মতো পেছানো হলো তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ।
আদালতের প্রসিকিউশন বিভাগের রমনা থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা এসআই শাহ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
সালমান শাহ মৃত্যুর ২৯ বছর পর আদালতের নির্দেশে গত বছর ২১ অক্টোবর রমনা থানায় হত্যা মামলা দায়ের হয়। মামলাটি করেন সালমান শাহর মামা মোহাম্মদ আলমগীর। মামলার এজাহারে ১১ জনকে আসামি করা হয়। অজ্ঞাতনামা আসামিও করা হয় কয়েকজনকে।
যাদের আসামি করা হয়েছে তাঁরা হলেন সালমান শাহর সাবেক স্ত্রী সামিরা হক, সামিরা হকের মা লতিফা হক লুসি, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, চলচিত্র অভিনেতা আশরাফুল হক ডন, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, রুবি, আব্দুস সাত্তার, সাজু ও রিজভি আহমেদ ফারহাদ।
এর আগে, গত বছর ২০ অক্টোবর ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক রমনা থানার ওসিকে সালমান শাহর ‘অস্বাভাবিক মৃত্যু’ মামলাকে হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণ করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
সালমান শাহ মৃত্যুর ২৯ বছর পর আদালতের নির্দেশে গত বছর ২১ অক্টোবর রমনা থানায় হত্যা মামলা দায়ের হয়। মামলাটি করেন সালমান শাহর মামা মোহাম্মদ আলমগীর। মামলার এজাহারে ১১ জনকে আসামি করা হয়। অজ্ঞাতনামা আসামিও করা হয় কয়েকজনকে।
যাদের আসামি করা হয়েছে তাঁরা হলেন সালমান শাহর সাবেক স্ত্রী সামিরা হক, সামিরা হকের মা লতিফা হক লুসি, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, চলচিত্র অভিনেতা আশরাফুল হক ডন, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, রুবি, আব্দুস সাত্তার, সাজু ও রিজভি আহমেদ ফারহাদ।
এর আগে, গত বছর ২০ অক্টোবর ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক রমনা থানার ওসিকে সালমান শাহর ‘অস্বাভাবিক মৃত্যু’ মামলাকে হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণ করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
সালমান শাহর মৃত্যুর পর প্রায় ২৯ বছর যাবৎ রমনা থানার অপমৃত্যু মামলার তদন্ত হয়। পুলিশের সব সংস্থাই একের পর এক তদন্ত করে। প্রতিবারই সালমান শাহ আত্মহত্যা করেছেন বলে এসব তদন্তে উল্লেখ করা হয়। এক আদালত থেকে অন্য আদালতে ঘুরতে থাকে বাদী পক্ষ।
উল্লেখ্য, রমনা থানায় মামলা দায়ের হওয়ার পর গত বছর ২৭ অক্টোবর সামিরা হক ও ডনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।