ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে (ডিএসসিসি) নতুন যুক্ত হওয়া এলাকাগুলোর উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম। আজ বুধবার খিলগাঁওয়ের কায়েতপাড়া এলাকার ৭৫ নম্বর ওয়ার্ডে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নমূলক কাজ সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে এ কথা জানিয়েছেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেলপথ এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রহমান হাবিব। সরেজমিনে পরিদর্শনকালে ডিএসসিসি প্রশাসক এলাকার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, রোপণকৃত গাছের যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ এবং চলমান কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতে মাঠপর্যায়ে এ ধরনের তদারকি নিয়মিত অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, স্থানীয় নাগরিক ও জনপ্রতিনিধিদের চাহিদার সমন্বয় ঘটিয়ে নতুন যুক্ত হওয়া এলাকাগুলোর উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হবে। চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় পর্যায়ক্রমে সড়কবাতি, আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।
নতুন যুক্ত হওয়া অঞ্চলের বাসিন্দাদের কর মওকুফের আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রশাসক বলেন, নাগরিকদের প্রদত্ত করের সঙ্গে সরকারি বরাদ্দ যুক্ত করেই এলাকার উন্নয়নকাজ পরিচালনা করা হয়। সুতরাং কর না দিলে উন্নয়নকাজ বাধাগ্রস্ত হবে। তবে যেসব নাগরিক একদমই নিরুপায়, তাদের বিষয়টি আলাদাভাবে বিবেচনা করা যেতে পারে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রহমান হাবিব ডিএসসিসি প্রশাসকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানান, এলাকার সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, কালভার্ট ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত বিদ্যমান সমস্যার একটি তালিকা ইতিমধ্যে প্রশাসকের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন দ্রুততম সময়ে এসব সমস্যার কার্যকর সমাধান করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
উন্নয়নকাজ পরিদর্শন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালনকালে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।