হোম > সারা দেশ > ঢাকা

গ্রামীণফোনের পাওনা নিষ্পত্তির দাবি সাবেক কর্মীদের, এনবিআরে স্মারকলিপি

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে গ্রামীণফোন ৫ শতাংশ বিলম্ব বকেয়া আদায় ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে সোমবার প্রতিবাদ সমাবেশ করেন সাবেক কর্মীরা। ছবি: আজকের পত্রিকা

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রধান কার্যালয়ের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন গ্রামীণফোনের সাবেক কর্মীরা। সমাবেশ শেষে তারা এনবিআর চেয়ারম্যানের কাছে একটি স্মারকলিপি দেন। সেখানে বলা হয়, গ্রামীণফোনের কর্মীদের ১৬ বছর ধরে আটকে থাকা ৫ শতাংশ বিলম্বজনিত ক্ষতিপূরণ নিষ্পত্তি হলে সরকারের ন্যূনতম ১৩ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের সম্ভাবনা রয়েছে।

আজ সোমবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে গ্রামীণফোন ৫ শতাংশ বিলম্ব বকেয়া আদায় ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, গ্রামীণফোন লিমিটেড ২০১০-১২ অর্থবছরের ওয়ার্কার্স প্রফিট পার্টিসিপেশন ফান্ড (ডব্লিউপিপিএফ) ও ওয়ার্কার্স ওয়েলফেয়ার ফান্ড (ডব্লিউডব্লিউএফ)–সংক্রান্ত ৫ শতাংশ বিলম্বজনিত ক্ষতিপূরণ দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে পরিশোধ করেনি। তাদের দাবি, বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬-এর ধারা ২৩৪ ও ২৪০ এবং সংশ্লিষ্ট বিধি অনুযায়ী এই অর্থ পরিশোধের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

বক্তারা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে আইনগতভাবে প্রাপ্য অর্থ আটকে থাকায় হাজারো সাবেক শ্রমিক ও তাদের পরিবার আর্থিক, সামাজিক ও মানবিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। একই সঙ্গে এই বিরোধের কারণে রাষ্ট্রও সম্ভাব্য রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে তারা দাবি করেন।

ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক আবু সাদাত মো. শোয়েব বলেন, প্রায় ৪ হাজার ৩০০ জন সুবিধাভোগীর প্রত্যেকের প্রাপ্য অর্থের পরিমাণ অনেক বেশি। তবে বিরোধের দ্রুত ও শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তির স্বার্থে তারা একটি সমঝোতা প্রস্তাব দিয়েছেন। প্রস্তাব অনুযায়ী, কর পরিশোধের পর প্রত্যেক সুবিধাভোগী ১০ কোটি টাকা করে গ্রহণ করতে প্রস্তুত। সংগঠনের হিসাব অনুযায়ী, এভাবে নিষ্পত্তি হলে সরকার ন্যূনতম ১৩ হাজার কোটি টাকা আয়কর রাজস্ব পেতে পারে।

স্মারকলিপিতে এনবিআরের প্রতি বিষয়টিকে সম্ভাব্য রাজস্ব আহরণ ও জনস্বার্থের দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করার আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি প্রয়োজন হলে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করে আইনসম্মত সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ এবং বিরোধ নিষ্পত্তির পর প্রাপ্য কর যথাযথভাবে নির্ধারণ ও আদায় নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশের বিভিন্ন সময়ে কর ও রাজস্বসংক্রান্ত বিষয়ে রাষ্ট্র বিভিন্ন করপোরেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছে। একইভাবে শ্রমিকদের আইনগত পাওনা নিষ্পত্তির ক্ষেত্রেও সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত ও কার্যকর ভূমিকা প্রয়োজন, যাতে আইনের শাসন, শ্রমিকের অধিকার এবং রাষ্ট্রের রাজস্ব—তিনটিই সমানভাবে সুরক্ষিত থাকে।

কেরানীগঞ্জে অবৈধ ইয়াবা তৈরির দুই কারখানার সন্ধান, কাঁচামাল জব্দ

মোহাম্মদপুরে মামুনুল হকের মাদ্রাসার পাশে ককটেল বিস্ফোরণ

বিআরটিএতে দালাল চক্রের ৫ সদস্যের কারাদণ্ড

নির্বাচনের আগে পোস্ট-ইসলামিজম কেন ‘জামায়াতের কোলে’—প্রশ্ন মাহফুজ আলমের

বাসার সামনে স্কুলশিশুর গলা থেকে চেন ছিনতাই

স্ত্রী ও শাশুড়িকে ছুরিকাঘাতে হত্যার দায় স্বীকার শিপনের

স্ত্রী-শাশুড়িকে খুন করে থানায়: পরকীয়া নয়, প্রাথমিক তদন্তে ‘ইগো প্রবলেম’ পাচ্ছে পুলিশ

অভিনেতা যাহের আলভীর জামিন

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ট্রেনের ধাক্কায় এক ব্যক্তির মৃত্যু

দন্তচিকিৎসক পিনু হত্যা: স্বামী সোহেল রানা দুই দিনের রিমান্ডে