হোম > সারা দেশ > ঢাকা

চেক প্রতারণার আরেক মামলায় গ্রেপ্তার রিজেন্টের সাহেদ

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

রিজেন্ট গ্রুপ ও রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ। ছবি: সংগৃহীত

করোনার নমুনা পরীক্ষা নিয়ে জালিয়াতির অভিযোগে আলোচিত রিজেন্ট গ্রুপ ও রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমকে চেক প্রতারণার আরেক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আজ রোববার ঢাকার তৃতীয় যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ মো. আরিফুল ইসলাম তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানোর এ আদেশ দেন।

সাহেদকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। বাদীপক্ষ তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। আদালত ওই আবেদন মঞ্জুর করে তাঁকে আবার কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়। একই সঙ্গে সাহেদের পক্ষে জামিনের আবেদন করা হলে আদালত তা না মঞ্জুর করেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ দবির উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

গত ৩ মে সাহেদের অনুপস্থিতিতে আদালত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে তাঁকে এক বছরের কারাদণ্ড ও চেকের সমপরিমাণ ২৩ লাখ ১৮ হাজার ৩৫৮ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ২৬ জুলাই বাহার ট্রেডার্স ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী হাফিজ উদ্দিন বাহার সাহেদের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ২৩ লাখ ১৮ হাজার ৩৫৮ টাকার চেক ডিজঅনারের অভিযোগ আনা হয়।

অভিযোগে বলা হয়, বাদীর কাছ থেকে বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রী কেনার জন্য আসামির সঙ্গে চুক্তি হয়। প্রথমে কিছু টাকা নগদ পরিশোধ করলেও পরে তিনি চেকের মাধ্যমে অর্থ পরিশোধ করতেন। নির্মাণসামগ্রীর দাম বাবদ আসামি ২০১৯ সালের ১০ ডিসেম্বর উত্তরা ব্যাংকের বংশাল থানার নবাবপুর শাখার একটি চেক দেন। ২০২০ সালের ৫ মে বাদী চেকটি নগদায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে দিলে, ব্যাংক কর্তৃপক্ষ হিসাবে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় তা ফেরত দেয়।

একই বছরের ২ জুন বাদী আসামিকে চেকের সমপরিমাণ অর্থ পরিশোধের জন্য এক মাসের সময় দিয়ে একটি লিগ্যাল নোটিশ পাঠান। তবে ওই সময়ের মধ্যে অর্থ পরিশোধ করেননি সাহেদ।

এর আগে, গত ২০ জুলাই রাজধানীর ইসিবি চত্বর থেকে মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের ২ কোটি ১৬ লাখ টাকার চেক প্রতারণার মামলায় সাহেদকে গ্রেপ্তার করে পল্লবী থানা-পুলিশ। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আটক আছেন।

গত ২০ জুলাই এনআরবি ব্যাংকের ৩ কোটি ৫২ লাখ টাকা ঋণ খেলাপির দুই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয় সাহেদকে।

উল্লেখ্য, মোহাম্মদ সাহেদ প্রথম দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনায় আসেন ২০২০ সালে করোনাভাইরাস মহামারির সময়। পরীক্ষা ছাড়াই করোনার ভুয়া সনদ দেওয়া ও চিকিৎসার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তাঁর মালিকানাধীন রিজেন্ট হাসপাতালের বিরুদ্ধে।

২০২০ সালের ৬ জুলাই র‌্যাবের একটি ভ্রাম্যমাণ আদালত উত্তরা ও মিরপুরে রিজেন্ট হাসপাতালের কার্যালয়ে অভিযান চালান। অভিযানে জালিয়াতির প্রমাণ পাওয়ার পর ৭ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশে হাসপাতালটি সিলগালা করে দেওয়া হয়। ওই দিনই উত্তরা পশ্চিম থানায় সাহেদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। এরপর আত্মগোপনে থাকা সাহেদকে একই বছরের ১৫ জুলাই ভোরে ভারতের সীমান্তবর্তী সাতক্ষীরা জেলা থেকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

দীর্ঘদিন কারাগারে থাকার পর ২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান সাহেদ। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সাহেদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে মোট ৯৬টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটি মামলায় তিনি সাজাপ্রাপ্ত আসামি। তবে সবকটি মামলায় জামিন পাওয়ায় দুই বছর আগে তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন।

উত্তরখানে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষ, এমপি-ডিএনসিসি প্রশাসকের ওপর হামলার অভিযোগ

মন্ত্রণালয়ের নতুন ঘোষণা, শাহবাগ ছাড়লেন প্রাথমিকে সুপারিশপ্রাপ্তরা

ঢাকা ওয়াসার নতুন চেয়ারম্যান সাব্বির মোস্তফা

রাজধানীতে ১০ হাজার সিমসহ ৩ চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার

শাহবাগে অবস্থান প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক সুপারিশপ্রাপ্তদের, যোগদান এগিয়ে আনার দাবি

রাজধানীর কলাবাগানে মা ও মেয়েকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, জামাতা আটক

রাজধানীর শনির আখড়ায় কাভার্ড ভ্যানচাপায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু

ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৩১, মামলা ৭০টি

জুতার ছাপ মেলায় গ্রেপ্তার হলেন স্বামী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: জুলাইয়ের স্মৃতি রক্ষায় দেয়ালে গ্রাফিতি পুনর্লিখন শুরু