হোম > সারা দেশ > ঢাকা

আওয়ামী লীগের ৫২ নেতা-কর্মী কারাগারে

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

প্রতীকী ছবি

রাজধানীর ভাটারা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের ৫২ নেতা-কর্মীকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। একই মামলায় দুই কিশোরকে গাজীপুরের টঙ্গী কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। আজ শুক্রবার সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

যাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে তাঁরা হলেন—মোতালিব, মেহেজাবীন আক্তার মালা, রুবেল, জি কে মাসুদ, অন্তর মিয়া, রমজান, মামুন, মিঠু ওরফে আমির হোসেন, আব্দুর রহমান ওরফে আব্দুল্লাহ, সুমন মিয়া, আরিফ মিয়া, মোস্তাক মিয়া, সাইম হোসেন, জাহিদ হাসান, শাহিন হোসেন ইমন, লিমন খান, দেওয়ান ইসমাইল, ফাহিম মিয়া, রতন, রাব্বি ওরফে রাফি, রাতুল শীল, মিনারুল মিয়া, মাসুদ রানা ওরফে লিমু, জিহাদ হাসান, আবু সাইম ওরফে সায়েম বাবু, ফাহিম, শাকিল মিয়া, রাজীব, সানি, রাজন মিয়া, মো. তারেক, তারেক, শাহিন, ফয়সাল, মামুন মিয়া, মুন্না, তামজিদ মিয়া নয়ন, ইয়াছিন, জামিল, রাকিবুল হাসান রাতুল, ফয়সাল, সিয়াম, শরিফ, সাদিকুর রহমান পায়েল, শাহিন আলম, আব্দুল আলী বাবু, অনিক, তারিকুল ইসলাম, আ. রহমান, ইয়ামিন মিয়া, আতিক ও আশিক।

বিকেলে তাঁদের আদালতে হাজির করে ভাটারা থানা-পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভাটারা থানার এসআই (নিরস্ত্র) মো. হাফিজুর রহমান প্রত্যেককে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেককে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এ ছাড়া একই মামলায় গ্রেপ্তার দুজন ঈশান ও হাসিব অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাদের শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর জন্য আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। আদালত তাঁদের গাজীপুর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে ভাটারা থানা এলাকার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে এদের আটক করা হয়। পুলিশের অভিযোগ ১৫ আগস্ট উপলক্ষে তাঁরা নাশকতার পরিকল্পনা করছিলেন।

এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে ভাটারা থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে। মামলায় বলা হয়েছে, আটক ব্যক্তিরা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গসংগঠন যুবলীগ, যুব মহিলা লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তারা ১৫ আগস্ট উপলক্ষে একত্রিত হয়ে নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করছিলেন।

মামলায় উল্লেখ করা হয়, আসামিরা সরকারবিরোধী স্লোগান দেন এবং রাজনৈতিক কর্মসূচির মাধ্যমে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি ও আতঙ্ক সৃষ্টির পরিকল্পনা করছিলেন। একই সঙ্গে নাশকতা, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে সহায়তা, ষড়যন্ত্র ও অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা করছিলেন।