পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাজধানীতে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। অপ্রীতিকর ঘটনা ও জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা মোকাবেলায় ব্যাপক ও বহুমাত্রিক নিরাপত্তা নেয় পুলিশ।
আজ মঙ্গলবার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা মোকাবেলায় পুরো রাজধানীকে কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের আওতায় আনা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে রাজধানীজুড়ে পিকেট ও চেকপোস্ট ডিউটি পরিচালনা করা হচ্ছে। মহানগরের সব প্রবেশপথে চেকপোস্ট ও তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি ও নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনায় ডিবি ও কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের (সিটিটিসি) সদস্যরা অপারেশনাল কার্যক্রমে মোতায়েন থাকবেন।
গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও জনসমাগমস্থলে সোয়াট, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও কে-নাইন ইউনিটের সদস্যরা সুইপিং কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোকে বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনার আওতায় এনে সিসিটিভি ক্যামেরা ও ড্রোনের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি করা হবে।
এ ছাড়া সিটিএসবি ও আইএডির সদস্যরা সাদা পোশাকে গোয়েন্দা কার্যক্রম ও তথ্য সংগ্রহ অব্যাহত রাখবেন। সার্বিক নিরাপত্তা জোরদারে অতিরিক্ত র্যাব ও সিআইডির সদস্যরাও মোতায়েন থাকবেন। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি দ্রুত মোকাবেলায় পর্যাপ্ত কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি) প্রস্তুত ও মোতায়েন রাখা হয়েছে।
স্বাভাবিক মোতায়েনের বাইরে অতিরিক্ত পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যরা রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় আলোচনা সভা, মিলাদ মাহফিল ও র্যালিকেন্দ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থায় দায়িত্ব পালন করবেন। সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের মোবাইল টিমও র্যালির সামনে ও পেছনে অবস্থান করবে।
ডিএমপি জানায়, সংস্থাটির সব ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সরেজমিনে মাঠে থেকে নিজ নিজ অধিক্ষেত্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থা তদারকি করবেন। পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে নগরবাসীর নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন চলাচল এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।