আকাশে আলোর ঝলকানি। কেউ ব্যস্ত ছবি তুলতে। কেউ বা ভিডিও ধারণ করে ধরে রাখছেন বর্ষবরণের স্মৃতি। ইংরেজি নতুন বছর বরণ উপলক্ষে অন্য বছরের মতো কনসার্ট বা গানবাজনার আয়োজন না থাকলেও এবার কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত হাজারো পর্যটকের উচ্ছ্বাসে প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছিল।
২০২১ সালের শেষ সময়ে রাত ১১টায় কক্সবাজার শহরের কলাতলী সায়মন বিচে তেমন লোকসমাগম ছিল না। সময় গড়াতেই বাঁধ ভাঙা জোয়ারের মতো ছুটে আসে পর্যটক ও স্থানীয় লোকজন।
ঘড়ির কাঁটা যখন রাত পৌনে ১২টা তখন পশ্চিমমুখী সৈকতের সব পয়েন্টে মানুষের স্রোত। সবার চোখ ছিল আকাশে। তখন আতশবাজি আর রংবেরঙের ফানুস উড়ছে।
শান্ত সৈকতে ঢেউয়ের গর্জন নেই। তবে হাজার হাজার পর্যটকের উচ্ছ্বাস ছিল লক্ষণীয়। সমবেত সকলে পুরোনো বছরকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানায়। একই সুরে সকলে বলে উঠে 'হ্যাপি নিউ ইয়ার'।
গতকাল শুক্রবার বিকেল থেকে সমুদ্রসৈকতসহ শহরের মোড়ে মোড়ে অবস্থান জেলা পুলিশ, র্যাব, গোয়েন্দা পুলিশ ও টুরিস্ট পুলিশের তৎপরতা বাড়ানো হয়। সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্ট, লাবণী , কলাতলী মোড়সহ প্রতিটি প্রবেশ পথে বসানো হয়েছে চেকপোস্ট।
রাত সাড়ে নয়টার দিকে কক্সবাজার র্যাব-১৫ এর সিপিসি কমান্ডার শেখ ইউছুপ আহমেদ বলেন, ইংরেজি নববর্ষ বরণ উপলক্ষে টহল জোরদার করা হয়েছে। যাতে আগত পর্যটকেরা কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার শিকার না হন।
রাত সাড়ে ১০টার দিকে লাবণী পয়েন্টে দেখা যায় টুরিস্ট পুলিশের সদস্যরা সন্দেহজনক যে কোনো ব্যক্তিকে তল্লাশি করছেন। পাশাপাশি সৈকতের প্রবেশ মুখে বসিয়েছে তল্লাশি চৌকি।
এ ছাড়া শহরের মোড়ে মোড়ে কাজ করছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সদস্যরা। তাদেরও যানবাহন তল্লাশি করতে দেখা যায়।
কক্সবাজার জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ডিবির উপপরিদর্শক শরীফুল ইসলাম বলেন, শহরে বেশ কয়েকটি টিম কাজ করছে। যে কোনো যানবাহনের পাশাপাশি টমটম, মোটরসাইকেল, সিএনজি অটোরিকশা তল্লাশির ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।