নবজাতকের ওজন পৌনে ছয় কেজি! শনিবার (৭ আগস্ট) বিকেল ৩টার দিকে চকরিয়া শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে শিশুটির জন্ম হয়। শিশুর ওজন ৫ কেজি ৭০০ গ্রাম।
শহরের শহীদ আব্দুল হামিদ পৌর বাস টার্মিনালস্থ চকরিয়া সিটি হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে শিশুটির জন্ম হয়। রাত ৮টার দিকে হাসপাতালের পরিচালক হেফাজত রহমান তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।
চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, চকরিয়ায় এই প্রথম একজন প্রসূতি এতো ওজনের শিশু জন্ম দিলেন। শিশুটির ওজন ৫ কেজি ৭০০ গ্রাম, লম্বায় ৫৬ সেন্টিমিটার। শিশুটি ছেলে। প্রসূতির নাম রুনা আক্তার। তিনি বিএমচর ইউনিয়নের বাসিন্দা আব্দুল হামিদের স্ত্রী। স্বাভাবিক শিশুর চেয়ে শিশুটির আকার প্রায় দ্বিগুণ।
চকরিয়া সিটি হাসপাতালের চিকিৎসক মো. মহিউদ্দিন মাজেদ চৌধুরী ও ত্রিদিব রায় বলেন, সাধারণত মা–বাবা ডায়াবেটিস আক্রান্ত হলে বা গর্ভকালীন ডায়াবেটিস (জিডিএম) হওয়ার কারণে বেশি ওজনের শিশুর জন্ম হতে পারে। প্রসূতি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। তবে এখন তিনি ঝুঁকিমুক্ত। এর আগে তিনি স্বাভাবিকভাবে আরও দুটি সন্তানের জন্ম দিয়েছেন।
প্রসূতি রুনা আক্তার বলেন, আমার পরিবার খুবই আনন্দিত। প্রথমে বিশ্বাসই হয়নি এতো মোটা সন্তান হবে। ৪০ সপ্তাহ পরে সন্তানের জন্ম হয়েছে। আমি ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপে ভুগছিলাম। তাই ভয় পেয়েছিলাম। এখন আমি ও আমার সন্তান সুস্থ আছি।
শিশুটির বাবা আব্দুল হামিদ বলেন, আমি খুশি হয়েছি। আমার আগের দুটি সন্তান নরমাল ডেলিভারি হয়েছে। তাদের স্বাস্থ্য মোটামুটি ভালো ছিল। শিশুর আকার ও ওজন অনেক বেশি হলেও অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে নিরাপদে সন্তান ভূমিষ্ঠ হয়েছে। মা ও শিশু ভালো আছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও চিকিৎসকদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ।