জাপান থেকে মোটর পার্টস ও ব্যবহৃত ইঞ্জিন আনার ঘোষণার আড়ালে খণ্ডিত অবস্থায় দুটি বিলাসবহুল গাড়ি ও ১৯টি পুরোনো ইঞ্জিন আমদানির ঘটনা ধরা পড়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের হাতে। এতে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
গতকাল বুধবার এনবিআরের দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চট্টগ্রামভিত্তিক ‘মৈত্রী অটোমোবাইল’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান চালানটি আমদানি করে। চালানটি খালাসের দায়িত্বে ছিল ঢাকার খিলক্ষেতের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ‘জে পি এক্সপ্রেস লিমিটেড’।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১ সেপ্টেম্বর কাস্টমস হাউস আইসিডি ও শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তর যৌথভাবে গত ৩০ জুলাই নিবন্ধিত চালানের কন্টেইনারটি লক করে। পরবর্তীকালে সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) কমলাপুর আইসিডিতে জোরপূর্বক কন্টেইনার খুলে (ফোর্স কিপ ডাউন) পরীক্ষা শুরু করেন কর্মকর্তারা। দুই দিনব্যাপী কায়িক পরীক্ষায় পার্টসের আড়ালে খণ্ডিত দুটি পূর্ণাঙ্গ গাড়ি এবং ১৯টি অবৈধ পুরোনো ইঞ্জিনের উপস্থিতি ধরা পড়ে।
শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম অঞ্চলের যুগ্ম পরিচালক সাগর সেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মিথ্যা ঘোষণার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা করা হয়েছে।
এনবিআর জানিয়েছে, চালানটির বিপরীতে পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষণ প্রতিবেদন তৈরি করে সংশ্লিষ্ট কাস্টমস আইন অনুযায়ী কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।