হোম > সারা দেশ > চট্টগ্রাম

কাল থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে লাগাতার ধর্মঘটের ডাক

আবু বকর ছিদ্দিক, চট্টগ্রাম 

শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের নেতা হুমায়ন কবীর লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। ছবি: আজকের পত্রিকা

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি অপারেটর ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া বাতিলসহ চার দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের লাগাতার কর্মসূচি দিয়েছে বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ।

এর আগে পালিত এত দিন বন্দরের বহির্নোঙর কর্মবিরতির আওতায় ছিল না। তবে আগামীকাল রোববার থেকে ডাকা ধর্মঘটে বহির্নোঙরেও কাজ হবে না।

দাবিগুলোর মধ্যে প্রধানটি হলো, এনসিটি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে লিজ না দেওয়ার ঘোষণা দিতে হবে সরকারকে। এ ছাড়া আন্দোলনরত কর্মচারীদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত গৃহীত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা বাতিল, তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়া এবং বন্দর চেয়ারম্যানকে প্রত্যাহার।

আজ শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের নেতা হুমায়ন কবীর লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।

কর্মসূচি ঘোষণা করে সমন্বয়ক ইব্রাহীম খোকন বলেন, উপদেষ্টা গত বৃহস্পতিবারের বৈঠকে আমাদের দাবি পূরণে আশ্বাস দিলেও এখনো বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেননি। আর বন্দর চেয়ারম্যান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে আসন্ন নির্বাচন বানচাল করতে চান। তাঁকে অপসারণ করে আইনের আওতায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পরিষদের নেতা মোহাম্মদ হারুন, তসলিম হোসেন, আবুল কাসেম, ইয়াসিন রেজা রাজু, জাহিদ হোসেন, হারুন, ইমাম হোসেন খোকেন, শরীফ হোসেন ভুট্টো।

নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনার ভার সংযুক্ত আরব আমিরাতের বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ‘ডিপি ওয়ার্ল্ড’কে দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে চট্টগ্রাম বন্দরের শ্রমিক-কর্মচারীদের টানা ছয় দিনের কর্মবিরতি চলে গত সপ্তাহে। এ কারণে বন্দরে পণ্য খালাস বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

নৌপরিবহন উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক শেষে বৃহস্পতিবার বিকেলে পরের দুই দিনের জন্য কর্মবিরতি স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছিল বন্দর রক্ষা পরিষদ।

কিন্তু বৃহস্পতিবার উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক শেষের কয়েক ঘণ্টা পর আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী বন্দর শ্রমিক-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত ও তাঁদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে চিঠি দেয় বন্দর কর্তৃপক্ষ।

আন্দোলনকারীদের বাধায় বন্দরের তিনটি প্রধান টার্মিনাল-নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল, চিটাগং কনটেইনার টার্মিনাল (সিসিটি) ও জেনারেল কার্গো বার্থের (জিসিবি) কার্যক্রম মঙ্গলবার থেকে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।

এর আগে ৩১ জানুয়ারি থেকে ৮ ঘণ্টার কমবিরতি শুরু করে বন্দরের শ্রমিক-কর্মচারীরা। দেশের মোট রপ্তানির ৯১ শতাংশই হয় চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে। টানা ছয় দিন বন্দরের কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এতে রপ্তানি খাতে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি পবিত্র রমজান সামনে রেখে আমদানি পণ্য খালাস না হলে গ্রাহক পর্যায়ে এর প্রভাব পড়বে বলে আশঙ্কা বন্দর ব্যবহারকারী ব্যবসায়ীদের।

প্রথম তিন দিন ৮ ঘণ্টা করে কর্মবিরতি পালনের পর মঙ্গলবার থেকে আন্দোলনকারীরা অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি শুরু করেন।

বন্দরের অচলাবস্থা নিরসনে বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম বন্দরে আসেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে বন্দর ভবনের কাছে বন্দরের ৪ নম্বরে ফটকের বাইরে গাড়ি থেকে নেমেই আন্দোলনরত শ্রমিক-কর্মচারীদের তোপের মুখে পড়েন উপদেষ্টা।

রাঙামাটির দুর্গম কেন্দ্রে হেলিকপ্টারে ভোটের মালামাল পরিবহন শুরু

‘হাতজোড় করে বলছি, ১২ তারিখ পর্যন্ত চাঁদাবাজি করবেন না’, চট্টগ্রামে বিএনপির প্রার্থী

চট্টগ্রাম বন্দর: আন্দোলনে যুক্ত ১৫ জনের সম্পদ তদন্তের উদ্যোগ

কর্ণফুলীতে বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়ে সেপটিক ট্যাংকে পড়ে প্রাণ গেল শিশুর

চট্টগ্রামে অস্ত্র-মাদকসহ শাহজাহান চৌধুরীর অনুসারী গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামে এনসিটি ইজারা: সংকট কাটছে না বন্দরের

মানুষ এখন সচেতন, ভয় পেয়ে ঘরে বসে থাকতে চায় না: হাসনাত আবদুল্লাহ

চট্টগ্রাম বন্দরের কর্মবিরতি দুই দিন স্থগিত

চন্দনাইশে ৩৪৫ রোহিঙ্গা আটক

চট্টগ্রাম বন্দর: নৌপরিবহন উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে বসছেন শ্রমিকনেতারা