চট্টগ্রাম নগরের সার্কিট হাউস-সংলগ্ন পাঁচতারকা হোটেল রেডিসন ব্লুতে আয়োজিত দলের সাংগঠনিক সভায় যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ রোববার রাত ৮টা ১০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী গাড়িবহর হোটেলে প্রবেশ করে। এ সময় ভেতরে থাকা চট্টগ্রামের নেতারা প্রধানমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে বরণ করেন।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে বিকেল ৪টা থেকে চট্টগ্রাম নগরের রেডিসন ব্লুমুখী তিনটি সড়কে হাজার হাজার নেতা-কর্মী অবস্থান নিতে শুরু করেন। এ সময় লালখান বাজার, কাজীর দেউড়ি ও সিআরবি সড়ক থেকে রেডিসন ব্লুমুখী সড়কে রোড ডিভাইডার দিয়ে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ করে দেয় পুলিশ। হোটেলটির চারপাশে কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টনী গড়ে তোলা হয়।
আজ সকাল থেকে প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে চট্টগ্রাম নগরে উৎসবমুখর পরিবেশ দেখা যায়। নগরের প্রধান সড়ক ও ফ্লাইওভারে নতুন রং করা হয়। বিভিন্ন সড়কে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে তোরণ, ব্যানার ও ফেস্টুন টানানো হয়।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে ঢাকার তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে কক্সবাজারের মহেশখালীর উদ্দেশে রওনা হন।
মহেশখালীতে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরসহ কয়েকটি উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী বন্যাকবলিত চট্টগ্রামের বাঁশখালী, ফটিকছড়ি ও হাটহাজারী এলাকায় যান। সেখানে সম্প্রতি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে নতুন ঘর হস্তান্তর করেন।
নির্ধারিত দিনের কর্মসূচি শেষে রাতে নগরের রেডিসন ব্লুতে দলের নেতাদের নিয়ে সাংগঠনিক সভায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী।
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির নেতারা জানান, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির ৫৩ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটির সবাই, ৪১ ওয়ার্ড বিএনপির কমিটির আহ্বায়ক, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও মহিলা দলের ‘সুপার ফাইভ’ এবং দীর্ঘদিনের ত্যাগী কর্মীরা সভায় অংশ নেন। সংগত কারণে বর্তমানে যাঁদের কোনো পদ-পদবি নেই, তাঁরাও সভায় উপস্থিত ছিলেন।
মহানগরে এই সংখ্যা সাড়ে তিন শর মতো। একইভাবে চট্টগ্রাম উত্তর ও দক্ষিণ জেলা থেকে আরও আড়াই শ নেতা-কর্মী এ সভায় অংশ নেন।
প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে পুলিশ, র্যাব, বিজিবি ও বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (এসএসএফ) কাজ করছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা।