চট্টগ্রামে অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন এবং সম্পদ বিবরণী দাখিল না করে তথ্য গোপনের মামলায় কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হৃীলা ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য নুরুল হুদাকে ৫ কোটি ৩৬ লাখ ৮২ হাজার ৫৩৭ টাকা অর্থদণ্ড ও তিন বছর ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ রোববার চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমান এ আদেশ দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত নুরুল হুদা হৃীলা ইউনিয়নের লেদা পশ্চিম পাড়া গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে।
দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মোকাররম হোসাইন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, অবৈধ সম্পদের তথ্য গোপন ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অপরাধে দুটি ধারায় আদালত আসামি নুরুল হুদাকে এ দণ্ড দেন।
এর আগে সম্পদ বিবরণী দাখিল না করা এবং জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ২ কোটি ৭১ লাখ ২৫ হাজার ৩৩৭ টাকা অবৈধভাবে উপার্জন করে ভোগদখলে রাখার অভিযোগে নুরুল হুদার বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।
২০২০ সালের ২ মার্চ দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে মামলাটি করেন দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-২-এর সহকারী পরিচালক মো. হুমায়ন কবীর।
দুদকের অভিযোগে বলা হয়, নুরুল হুদা ২০১৯ সালে সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশ পাওয়ার পর নির্ধারিত সময়ে দুদকে তা দাখিল করেননি। একই সঙ্গে অবৈধভাবে ২ কোটি ৭১ লাখ ২৫ হাজার ৩৩৭ টাকার সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলের মাধ্যমে তিনি শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।
তদন্ত শেষে দুদক আদালতে মামলাটির অভিযোগপত্র দাখিল করে। ২০২৫ সালের ২২ জুন চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মো. মিজানুর রহমানের আদালতে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়।