চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেছেন, ‘নালা-নর্দমা পরিষ্কার করার পরও যদি যত্রতত্র পলিথিন ও প্লাস্টিক বর্জ্য ফেলা হয়, তাহলে জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। আমাদের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা দিন-রাত পরিশ্রম করছেন। কিন্তু শুধু সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তোলা সম্ভব নয়, নগরবাসীকেও দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে।’
আজ রোববার (৩ মে) সকালে নগরীর পূর্ব ও পশ্চিম মাদারবাড়ী এবং ২৮ নম্বর পাঠানটুলী ওয়ার্ডে পরিচালিত জলাবদ্ধতা নিরসন কার্যক্রম পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেন, পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তোলা একটি সামাজিক দায়িত্ব। প্রতি সপ্তাহে নিজ নিজ বাড়ির আশপাশ ও নালা পরিষ্কার রাখার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে পারলে তা একসময় গণ-আন্দোলনে পরিণত হবে। চট্টগ্রামসহ দেশের সব শহর আরও পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য হয়ে উঠবে।
শাহাদাত বলেন, গুলজারখাল এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্লুইসগেট নির্মাণকাজের কারণে অস্থায়ী বাঁধ দেওয়ায় সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে আগ্রাবাদ কমার্শিয়াল এরিয়াসহ আশপাশের কিছু এলাকায় পানি জমে সাময়িক ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ারিং ব্রিগেড ও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্লুইসগেট নির্মাণ শেষ হলে জোয়ারের পানি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হবে এবং সংশ্লিষ্ট এলাকায় জলাবদ্ধতা অনেকাংশে কমে আসবে।
মেয়র বলেন, নগরীর গুরুত্বপূর্ণ হিজড়া খাল ও জামালখান খালের সংস্কারকাজও চলমান রয়েছে। এসব প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করতে সংশ্লিষ্টদের নির্ধারিত সময়সীমা দেওয়া হয়েছে।
মেয়র আরও বলেন, ‘গত বছর আমরা ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ জলাবদ্ধতা নিরসনে সফল হয়েছি। চলমান খাল সংস্কার ও ড্রেনেজ উন্নয়নকাজ শেষ হলে নগরবাসী আরও সুফল পাবে।’