হোম > সারা দেশ > চট্টগ্রাম

৩০ হাজার টন জ্বালানি নিয়ে বন্দরে ভিড়ল আরও এক জাহাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

ফাইল ছবি

জ্বালানি সরবরাহে চাপের মধ্যেই ৩০ হাজার টন জ্বালানি নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়েছে একটি বাল্ক জাহাজ। আজ বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টায় চট্টগ্রাম বন্দরে এটি পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান।

বিপিসি চেয়ারম্যান জানান, ইউনিপেক নামে চীনের একটি প্রতিষ্ঠান চুক্তি অনুযায়ী ‘এমটি গ্রান কুভা’ নামের জাহাজে এই জ্বালানি সরবরাহ করেছে। এই জাহাজে মোট ৩০ হাজার টন জ্বালানি রয়েছে। এর মধ্যে ১০ হাজার টন ডিজেল ও ২০ হাজার টন জেট ফুয়েল রয়েছে। সাম্প্রতিক বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে সরবরাহ সূচিতে অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও নতুন এই চালান কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

বিপিসি সূত্র জানায়, জাহাজে আনা ডিজেল পরিবহন ও শিল্প খাতে ব্যবহার করা হবে। অন্যদিকে জেট ফুয়েল সরবরাহ করা হবে দেশের বিমানবন্দরগুলোয়। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধি ও সরবরাহে বিলম্বের কারণে জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় চাপ তৈরি হয়েছে।

বিপিসির চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান বলেন, পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ডিজেল ও জেট ফুয়েল নিয়ে জাহাজটি আজ বিকেলে দেশে এসেছে। এখন জ্বালানিসংকট কেটে যাবে।

এদিকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (সিপিএ) সচিব মো. রেফায়েত হামিম জানান, চলতি মাসে মোট ৩৪টি জাহাজ জ্বালানি নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে। এর মধ্যে ২৮টি জাহাজ খালাসের কাজ শেষ হয়েছে।

বিপিসি সাধারণত সরকার থেকে সরকার (জিটুজি) চুক্তি ও আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে জ্বালানি আমদানি করে থাকে। বছরে ৬৫ থেকে ৬৮ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানি করা হয়। এর মধ্যে প্রায় ১৫ লাখ টন অপরিশোধিত তেল, যা মূলত সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আসে। মোট চাহিদার ২০ শতাংশ অপরিশোধিত আকারে এনে দেশে পরিশোধন করা হয়। অন্য ৮০ শতাংশ পরিশোধিত অবস্থায় আমদানি করা হয় ভারত, চীন, ইন্দোনেশিয়াসহ আটটি দেশ থেকে।

দেশে জ্বালানি ব্যবহারের বড় অংশই ডিজেলনির্ভর। সেচ, সড়ক পরিবহন, এমনকি বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রেও ডিজেলের ওপর নির্ভরতা বেশি। তাই ডিজেলের বাজারে চাপ বাড়লে তার প্রভাব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে ১৩ দিনের ডিজেল ও ২৫ দিনের জেট ফুয়েল মজুত রয়েছে। এপ্রিলে সমুদ্রপথে ১৪টি জাহাজ এবং পাইপলাইনে তিনটি পার্সেলের মাধ্যমে মোট ৩ লাখ টন ডিজেল, ৫০ হাজার টন জেট ফুয়েল, ২৫ হাজার টন অকটেন এবং ৫০ হাজার টন ফার্নেস তেল আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত মাত্র ১ লাখ ১০ হাজার টন ডিজেল এবং পাইপলাইনে ২০ হাজার টন সরবরাহের নিশ্চয়তা পাওয়া গেছে। মে মাসে ১৭টি জাহাজে সাড়ে তিন লাখ টন ডিজেলসহ অন্যান্য জ্বালানি আসার সূচি ঠিক করা হয়েছে। তবে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এখনো চূড়ান্ত মত দেয়নি।

চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনের বগিতে আগুন, খতিয়ে দেখবে চার সদস্যের কমিটি

সীতাকুণ্ডে চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনের দুটি বগিতে আগুন, এক ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে

পার্বত্য চট্টগ্রাম: পাহাড়ে চাঁদাবাজির মচ্ছব

চট্টগ্রামে প্রাইভেট কারের ধাক্কায় নিহত ২

শুভেচ্ছা সফরে রাশিয়ান নৌবাহিনীর ২ জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে

চট্টগ্রামে অধিকাংশ পেট্রলপাম্পে জ্বালানি তেল বিক্রি বন্ধ

পটিয়ায় কোটি টাকার সরকারি জমি উদ্ধার

চট্টগ্রামে বিমানের ১৭৪ ফ্লাইট বাতিল, কাটছে না স্থবিরতা

কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র ও জিয়া স্মৃতি জাদুঘরকে সমন্বিত ব্যবস্থাপনায় আনা হবে: সংস্কৃতিমন্ত্রী

শাহ আমানতে যাত্রীর ব্যাগেজে মিলল ৩০০ কার্টন সিগারেট