হোম > সারা দেশ > চাঁদপুর

দোনাগাজী সাহিত্য পদক পাচ্ছেন ৭ গুণীজন

চাঁদপুর প্রতিনিধি

দুই বছরে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন দেশের সাত গুণীজন। ছবি: সংগৃহীত

মধ্যযুগের কিংবদন্তি পুঁথিসাহিত্যিক ও সপ্তদশ শতকের রোমান্টিক কবি দোনাগাজীর নামে ২০১৯ সাল থেকে নিয়মিত সাহিত্য পদক দিয়ে আসছে চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমি। এবার ২০২৫ ও ২০২৬ সালের পদক একসঙ্গে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। দুই বছরে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন দেশের সাত গুণীজন।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় চাঁদপুরে একাডেমির কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে পদকপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করেন চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমির মহাপরিচালক আইনজীবী রফিকুজ্জামান রণি।

এর আগে চাঁদপুর শহরের একটি চায়নিজ রেস্তোরাঁয় একাডেমির সভাপতি আয়শা আক্তার রুপার সভাপতিত্বে জুরি বোর্ডের জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় দুই বছরের পদকপ্রাপ্তদের নাম চূড়ান্তভাবে অনুমোদন করা হয়।

পদকপ্রাপ্তরা হলেন—২০২৫ সালে কবিতায় সোহরাব পাশা, কথাসাহিত্যে ইশরাত তানিয়া, শিশুসাহিত্যে স. ম. শামসুল আলম এবং সংগীতে রনক রায়হান। ২০২৬ সালে কবিতায় শিবলী মোকতাদির, চারুকলায় অমল সেনগুপ্ত এবং লোকগবেষণায় সৈয়দা আঁখি হক।

পদকপ্রাপ্তদের দ্রুত সময়ের মধ্যে সম্মাননা তুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন একাডেমির সভাপতি আয়শা আক্তার রুপা। তিনি বলেন, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আয়োজন সম্পন্ন করতে উদ্‌যাপন পরিষদকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমির মহাপরিচালক রফিকুজ্জামান রণি বলেন, দোনাগাজী ছিলেন মধ্যযুগের একজন গুরুত্বপূর্ণ কবি। সপ্তদশ শতকের এই পুঁথিসাহিত্যিক মূলত রোমান্টিক ঘরানার কবি হিসেবে পরিচিত। তাঁর বিখ্যাত প্রেমকাব্য ‘সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামাল’ তাঁকে বাংলা সাহিত্যে স্মরণীয় করে রেখেছে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই তাঁর নামে চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমি এ পদক দিয়ে আসছে।

তিনি আরও বলেন, প্রতিবছর শিল্প-সাহিত্যের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা গুণীজনদের এ পদক দেওয়া হয়।

জুরি বোর্ডের সদস্যসচিব শিউলী মজুমদার, পরিচালক ফেরারী প্রিন্স, সহযোগী পরিচালক জয়ন্তী ভৌমিক, নির্বাহী পরিচালক আইরিন সুলতানা লিমা, নির্বাহী সদস্য কামরুন্নাহার বিউটি, উদ্‌যাপন পরিষদের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান স্বপন, সদস্যসচিব দিলীপ ঘোষ, বিজ্ঞান ও আইসিটি পরিচালক রাসেল ইব্রাহীম, সমন্বয়কারী সাইফুল খান রাজীব এবং প্রাবন্ধিক লিটন শীল এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমির দোনাগাজী পদক পেয়েছেন রহমান হেনরী, আকিমুন রহমান, এনায়েত রসুল, জরিনা আখতার, প্রণব মজুমদার, মোস্তফা কামাল যাত্রা, আশরাফ আহমদ, নাহিদা আশরাফী, হাসান আলী, শহীদুল্লাহ ফরায়জী, হোসেন দেলওয়ার, মিল্টন খন্দকার, হাসনাত আমজাদ, গৌরাঙ্গ সাহা, রকিব লিখন, জামসেদ ওয়াজেদ, মজিদ মাহমুদ, হামিদ কায়সার, তপন বাগচী, মনি হায়দার, বীরেন মুখার্জী, মিলু শামস, স্বরূপ রতন দত্ত, মোহাম্মদ নূরুল হক, ফারহানা রহমান, রকিবুল হাসান, মাসুদুল হক, পারভীন সুলতানা, শিহাব শাহরিয়ার, হুমায়ূন কবীর ঢালী, হেনরী স্বপন, নিলুফা আক্তার, মামুন রশীদ, ফারুক নওয়াজ, প্রত্যয় হামিদ, ফারুক সুমন, শামসুল হুদা, অদ্বৈত মারুত ও শাহেদ কায়েসসহ আরও অনেকে।