চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতাল সংলগ্ন ফেমাস ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আল্ট্রাসনোগ্রামের আগেই প্রিন্ট করে রাখা থাকে আল্ট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট। কোন রোগী আসলে সেই রিপোর্টের ওপর কেবল নাম বসিয়ে দেওয়া হয়। এছাড়া ল্যাবে মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট ব্যবহার, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ইউরিনের নমুনা সংরক্ষণ এবং রেফ্রিজারেটরের তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় থার্মোমিটার না রাখাসহ বিভিন্ন অনিয়মে জর্জরিত এই ডায়াগনস্টিক সেন্টার।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে এসব অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী আক্তার জাহানকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালিত হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন চাঁদপুর সদর উপজেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস.এম.এন. জামিউল হিকমা।
অভিযানকালে চাঁদপুর সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ রফিকুল হাসান ফয়সাল উপস্থিত ছিলেন। অভিযানে চাঁদপুর মডেল থানা পুলিশ এবং স্বাস্থ্য বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সহযোগিতা করেন।
স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, রোগীদের নিরাপদ ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর বিরুদ্ধে এ ধরনের নজরদারি ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
নিরপেক্ষতা যাচাই: অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠান বা স্বত্বাধিকারী আক্তার জাহানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।