চাঁদপুরে ইলিশ মাছসহ বিভিন্ন পণ্য অনলাইনে বিক্রির নামে প্রতারণা করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে একটি চক্রের আরও তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নড়াইলের কালিয়া থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় সিম কার্ডসহ আটটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। এ নিয়ে চক্রটির মোট নয়জনকে গ্রেপ্তার করা হলো।
আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন চাঁদপুর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. সুমন ভূঁইয়া, মো. সাইফুল ইসলাম মামুন ও অনিক অধিকারী। তাঁদের বাড়ি নড়াইলের কালিয়া থানার চাঁচুড়ী ও পেড়লী ইউনিয়নে।
জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল জানায়, জেলা পুলিশের এলআইসি শাখা ও ডিবির যৌথ দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাঁদের শনাক্ত করে। পরে গত ১৪ ও ১৫ অক্টোবর অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। আজ গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশের তথ্যমতে, চক্রটি ফেসবুক থেকে ছবি ও ভিডিও নিয়ে ভুয়া পেজ এবং হোয়াটসঅ্যাপ আইডি খুলত। এসব মাধ্যমে ইলিশ, ফার্নিচার, কলম, জুতা, খেলনা, মোটরসাইকেলের যন্ত্রাংশ বিক্রির বিজ্ঞাপন ও অনলাইন চাকরির প্রলোভন দেখানো হতো। ভুয়া মন্তব্য, রিল, ঠিকানা, জাতীয় পরিচয়পত্র, ট্রেড লাইসেন্স, ভাউচার ও ওয়েবসাইট ব্যবহার করে ক্রেতাদের বিশ্বাস অর্জন করত চক্রটি। পরে অগ্রিম টাকা নিয়ে পণ্য সরবরাহ না করে অর্থ আত্মসাৎ করা হতো।
ডিবির ওসি মজিবুর রহমান বলেন, ‘এ ঘটনায় চাঁদপুর মডেল থানায় দুটি মামলা হয়েছে। আগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সর্বশেষ তিনজনসহ মোট নয়জন গ্রেপ্তার হয়েছেন।’
চাঁদপুরের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান জানান, মামলাগুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। অনলাইন প্রতারণা ঠেকাতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।