ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে গিয়ে আম ও ছালা দুটোই খোয়ালেন তাছলিমা বেগম। তাঁর আশা ছিল ভোলা-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার। সেই লক্ষ্যে দৌলতখান উপজেলার ৪ নম্বর উত্তর জয়নগর ইউনিয়নের সংরক্ষিত ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নারী সদস্য থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগও করেন।
এরপর গত ২৯ ডিসেম্বর বিকেলে ভোলার জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ডা. শামীম রহমানের কাছে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন তাছলিমা।
কিন্তু, শেষ পর্যন্ত সংসদ সদস্য প্রার্থী হওয়ার আশা তাঁর কপালে জোটেনি। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করলেও বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) দুপুরে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে তাছলিমা বেগমের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এর মাধ্যমে আম-ছালা দুটোই খোয়ান।
জানতে চাইলে তাছলিমা বেগম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ষড়যন্ত্র করে আমার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। আমি এর বিরুদ্ধে আপিল করব।’
ভোলার চারটি আসনে জমা পড়া ৩১ জন প্রার্থীর মধ্যে তাছলিমা ছিলেন একমাত্র নারী প্রার্থী।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থীর জমা দেওয়া এক শতাংশ ভোটার সমর্থন থেকে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক যে ১০টা সিরিয়াল যাচাই বাছাই করার জন্য ঠিক করে দিয়েছে, তা যাচাই করতে গিয়ে অধিকাংশই সঠিক পাওয়া যায়নি। তাই তাছলিমা বেগমের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।