সুনামগঞ্জ থেকে ভোলার মনপুরায় এসে এক কিশোরী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে। তাকে জিম্মি করে একদল দুষ্কৃতকারী তার ওপর পাশবিক নির্যাতন চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী ওই কিশোরী সুনামগঞ্জ জেলার বাসিন্দা। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সত্যতা পেয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। পুলিশ বলছে, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই কিশোরীর সঙ্গে মনপুরা উপজেলার এক তরুণের সম্পর্ক ছিল। তিন দিন আগে ওই তরুণের সঙ্গে দেখা করতে মনপুরায় আসে ওই কিশোরী।
ওই কিশোরী ও তরুণের সম্পর্কের বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র তাদের বিয়ের কথা বলে জিম্মি করে। অভিযোগ উঠেছে, ওই চক্রটি তাদের কাছে রেখে ২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।
কিশোরীর বন্ধু ওই তরুণ জানান, শুক্রবার রাতে আল-আমিন, মাকসুদ ও ইদ্রিস নামের তিন ব্যক্তি তাদের লঞ্চঘাটে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের করে নিয়ে যায়। লঞ্চঘাটে না নিয়ে তাদেরকে নিয়ে যাওয়া হয় নির্জন বেড়িবাঁধে। সেখানে তাকে (তরুণ) মারধর করে আটকে রেখে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। এক পর্যায়ে অচেতন অবস্থায় কিশোরীকে বেড়িবাঁধে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে।
খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে মনপুরা থানার ওসি মোঃ ফরিদ ভূঁইয়া শুক্রবার বিকেলে আজকের পত্রিকাকে বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ওই কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের সত্যতা পাওয়া গেছে। তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে ভিকটিম একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করতে যাচ্ছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান ওসি ফরিদ।