ভোলার লালমোহনে নারকেল পাড়াকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে মাসুদ হাওলাদার (৫০) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও অন্তত ১০ জনের আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
গতকাল বুধবার (৬ মে) দুপুরে লালমোহন পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের হাওলাদারবাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে। মামলার পর পুলিশ আজ বৃহস্পতিবার সকালে ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করে দুপুরের দিকে ভোলার আদালতে পাঠায়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. আকতার (৩৫), মো. তানভীর (২৫), মো. ফিরোজ (৫০) ও রেশমা বেগম (৪৫)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম। নিহত মাসুদ লালমোহন পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের হাওলাদারবাড়ির আজগর আলী হাওলাদারের ছেলে।
লালমোহন থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মাসুদ হাওলাদার জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আজ দুপুরের দিকে ভোলার আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, গতকাল দুপুরের দিকে লালমোহন পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের হাওলাদারবাড়িতে মাসুদ হাওলাদারের ঘরের পেছনে প্রতিপক্ষ রেশমা, সজিবসহ কয়েকজন নারকেল পাড়তে যান। এ সময় মাসুদের মেয়ে মাসুমা বাধা দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এর একপর্যায়ে উভয় পক্ষ দা ও লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হন। স্থানীয় বাসিন্দারা গুরুতর আহত মাসুদসহ অন্যদের উদ্ধার করে প্রথমে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন, পরে মাসুদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ভোলা সদরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল নেওয়ার পথে গতকাল রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।
লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ঘটনার পরই নিহত মাসুদের মেয়ে মাসুমা বাদী হয়ে লালমোহন থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করে আজ দুপুরের দিকে তাঁদের ভোলার আদালতে পাঠানো হয়।