হোম > সারা দেশ > বরিশাল

মাটি কেটে সাবাড়, তীব্র হচ্ছে ভাঙন: অরক্ষিত কীর্তনখোলা নদীর দুই তীর

খান রফিক, বরিশাল

বরিশালের কীর্তনখোলা নদীর তীর এবং সংলগ্ন ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে সাবাড় করে ফেলছে সংঘবদ্ধ চক্র। এই চক্রটি নদী তীর সংরক্ষণের ব্লকও তুলে বিক্রি করে দিচ্ছে। সদর উপজেলার তালতলী, চরমোনাইর গিলাতলি-পশুরকাঠী, চরকাউয়ার পামের হাট এলাকায় ফসলি জমি কেটে সাবাড় করা হচ্ছে। এভাবে অবৈধভাবে দেদারসে মাটি কাটায় নদী ভাঙন তীব্র আকার দেখা দিয়েছে। 

এ দিকে নগরীর ত্রিশগোডাউন সংলগ্ন ব্লক তুলে ফেলায় বাধ ভেঙে পানি ঢুকছে লোকালয়ে। সংশ্লিষ্টরা এ জন্য প্রশাসনকে দায়ী করে বলেছেন, কীর্তনখোলার তীর অরক্ষিত হওয়ায় পূর্বাঞ্চলের অভিশাপ ‘নদী ভাঙন’ দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। 

বরিশালের পূর্বাঞ্চলীয় এলাকার বাসিন্দা রিয়াজ হোসেন জানান, কীর্তনখোলা নদী তীরের চরমোনাই ও চরকাউয়ার বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে ফসলি জমির মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে ইটভাটায়। ওই এলাকার ফুজি এবং মিনা ইটভাটা কর্তৃপক্ষ স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে এই মাটি কেটে নিচ্ছে। তিনি গত সপ্তাহে সরেজমিন ঘুরে নদী তীর থেকে মাটি কাটার ভয়াবহ চিত্র দেখেছেন। স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে এভাবে নদীর পাড়ের মাটি কাটায় ওই সব এলাকায় ভাঙন তীব্র আকার দেখা দিয়েছে। 

চরমোনাই ইউপি সদস্য মামুন গাজী বলেন, চরমোনাইর গিলাতলি-পশুরকাঠী এলাকায় মাটি কেটে নিচ্ছে দুর্বৃত্তরা। নদীর পাড় থেকে ধানি জমির এই মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি করছে একদল দুর্বৃত্ত। মিনা ইটভাটা চরমোনাই এবং ফুজি চরকাউয়ায়। এতে চরমোনাইতে নদীভাঙন বাড়ছে। 

এ দিকে নগরীর ত্রিশ গোডাউন সংলগ্ন কীর্তনখোলা তীরে যে বাধ দেওয়া হয়েছিল সেখানকার ব্লক খুলে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। এতে বাধ ভেঙে ওই এলাকায় পানি প্রবেশ করছে। একই খবর পাওয়া গেছে, লামছড়ি ও চরআবদানী এলাকায়। 

জানতে চাইলে কীর্তনখোলা তীর ঘেঁষা পূর্বাঞ্চলীয় উন্নয়ন পরিষদের আহ্বায়ক মুনাওয়ারুল ইসলাম অলি বলেন, তাদের এই এলাকা বহু আগ থেকেই অবহেলিত। নদীভাঙন সবচেয়ে বড় সমস্যা চরকাউয়া, চরমোনাই, সায়েস্তাবাদ, চরবাড়িয়া ইউপির। কিন্তু কীর্তনখোলা নদীর দুই পারের মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে ইটভাটার দুর্বৃত্তরা। উপজেলা প্রশাসনের এ বিষয়ে কোনো ভূমিকা নেই। একদিকে ভাঙন বাড়ছে, অপরদিকে মাটি আর বালু কেটে সাবাড় করছে। এ জন্যই তারা এই এলাকা নিয়ে আলাদা উপজেলা গড়ে তোলার দাবি তুলে আসছেন। 

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী দিপক রঞ্জন দাস এ প্রসঙ্গে বলেন, ত্রিশগোডাউন সংলগ্ন কীর্তনখোলা নদী রক্ষায় ব্লক ফেলে যে বাধ দেওয়া হয়েছিল তার একাংশ প্রয়াত মেয়র হিরনের সময় সিটি করপোরেশন এবং বাকি অংশ পাউবো করেছে। তাঁদের খতিয়ে দেখতে হবে যে সব স্থান থেকে ব্লক তুলে নেওয়া হয়েছে তা পানি উন্নয়ন বোর্ডের কি’না।

এ ব্যাপারে বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুনিবুর রহমান বলেন, গত বছরও তারা নদী তীরে মাটি কাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ব্যবস্থা নিয়েছেন। এবারও নদী ভাঙন রোধে একই ধরনের ব্যবস্থা নিচ্ছেন। এ জন্য কোনো কোনো স্থানের মাটি কেটে নেওয়া হচ্ছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 

গণভোটের মার্কা হচ্ছে টিক চিহ্ন: আলী রীয়াজ

গৌরনদীতে ভ্যানচালককে কুপিয়ে হত্যা

সাংবাদিকেরা ১০ মিনিটের বেশি ভোটকেন্দ্রে থাকতে পারবেন না: বরিশালের এসপি

পটুয়াখালীতে যুবককে কুপিয়ে হত্যা, বাড়ির পাশে মিলল লাশ

বাউফলে ট্রাকচাপায় অটোরিকশাচালক নিহত

বরিশাল-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী জয়নুলের সহযোগী আইনজীবীকে মারধর

ব্যারিস্টার ফুয়াদ নির্বাচনে আর্থিক সহযোগিতা পেয়েছেন ৩৯ লাখ, ব্যয়সীমা ৩৩ লাখ

বরিশাল টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে অগ্নিকাণ্ড

প্রচারে আ.লীগ কর্মী, শঙ্কায় নেতারা

বরিশাল সিটি করপোরেশনের ৫১ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে স্থায়ীকরণ