হোম > সারা দেশ > বরিশাল

পরীক্ষায় ফেল করানোর অভিযোগ, অনশনে ববি শিক্ষার্থী

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

অনশনে ববি শিক্ষার্থী। ছবি: সংগৃহীত

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) জিওলজি অ্যান্ড মাইনিং বিভাগের এক ছাত্র পুনঃপরীক্ষা ও খাতা পুনর্মূল্যায়নের দাবিতে ক্যাম্পাসে অনশন করছেন। গতকাল রোববার সকাল ১০টা থেকে আজ সোমবার বিকেল পর্যন্ত একই দাবিতে অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। ওই ছাত্র অভিযোগ করেছেন, বিভাগীয় প্রধান তাঁকে ইচ্ছাকৃতভাবে ফেল করিয়ে দিয়েছেন। ববি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সাকিবকে পুনর্ভর্তি হয়ে প্রচলিত নিয়মে পাঠদান চালিয়ে যেতে হবে।

জানা গেছে, সাকিব মিয়া জিওলজি অ্যান্ড মাইনিং বিভাগের ২০২১-২২ সেশনের ছাত্র। দ্বিতীয় বর্ষে তিনি ছয়টি বিষয়ে ফেল করেন। গত ২০২৫ সালে এই পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়। সাকিব দাবি করেছেন, বিভাগীয় প্রধানসহ কয়েকজন শিক্ষক ইচ্ছে করে কম নম্বর দিয়ে তাঁকে ছয় বিষয়ে ফেল করিয়ে দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, গত ২২ এপ্রিল তিনি উপাচার্য বরাবর আবেদন করেছিলেন খাতা পুনর্মূল্যায়ন এবং পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ চেয়ে। কিন্তু ১ জুলাই একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় তাঁর আবেদন বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। এটা বিভাগীয় প্রধানের কারসাজি। যদিও এর আগে অনশনকালে তাঁকে সুযোগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তৎকালীন উপাচার্য তৌফিক আলম।

সাকিব আরও জানান, তিনি অনশন করায় আজ দুপুরে সহকারী প্রক্টর প্রভাষক গাজি সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, আনসার দিয়ে পিটিয়ে তাঁকে বের করে দেবেন। তবে সহকারী প্রক্টর গাজী সাখাওয়াত শিক্ষার্থীর এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

জানতে চাইলে জিওলজি অ্যান্ড মাইনিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. ধীমান কুমার রয় জানান, সাকিব মিয়া বিভাগের কাছে যে বিষয়গুলোতে আবেদন করেছেন, সেগুলো একাডেমিক কাউন্সিলে তোলা হয়েছে। একাডেমিক কাউন্সিলে কী সিদ্ধান্ত হয়েছে, তা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলতে পারবে। তিনি আরও জানান, খাতা পুনর্মূল্যায়ন কিংবা পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ নেই। তিনি দ্বিতীয় বর্ষে পরীক্ষা দিয়েছিলেন। ফেল করিয়ে দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পরীক্ষার খাতা দুজন পরীক্ষক পৃথকভাবে দেখেন। সে ক্ষেত্রে নম্বর কম দিয়ে ফেল করানোর সুযোগ নেই।

এ প্রসঙ্গে ববির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহযোগী অধ্যাপক সাদিকুর রহমান বলেন, সাকিব মিয়ার একাডেমিক ঘাটতি আছে। তিনি ২০২১-২২ সেশনে দ্বিতীয় বর্ষে ছয়টি কোর্সে ফেল করেছেন। তিনি একদিকে কতিপয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃতভাবে নম্বর কম দেওয়ার অভিযোগ করেছেন আবার অপর দিকে খাতা পুনর্মূল্যায়ন ও পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। কিন্তু একাডেমিক কাউন্সিল তাঁর আবেদন গ্রহণ করেনি। তাঁকে এখন নিয়মিত ব্যাচের সঙ্গে দ্বিতীয় বর্ষে পুনর্ভর্তি হতে হবে।   

এ ব্যাপারে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. মামুন অর রশিদ আজকের পত্রিকাকে জানান, সাকিব মিয়া তাঁদের ছাত্র। তিনি প্রচলিত নিয়মে লেখাপড়া করতে পারবেন। যেখান থেকে (দ্বিতীয় বর্ষ) ফেল করেছেন, সেখান থেকে শুরু করতে হবে। কিন্তু তিনি কারও কথা শোনেন না। উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী খাতা পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ নেই। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, শিক্ষক, সহপাঠীরা তাঁকে বুঝিয়েছেন, কিন্তু তিনি কারও কথা শুনছেন না। তাঁর অভিভাবকদের জানানো হয়েছে। তাঁরা এসে উদ্যোগ নেবেন।

বরিশালে স্কুলের সামনে ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত, আটক ৪

ছাত্রলীগ কর্মী বাবু হত্যা মামলা: মেহেন্দীগঞ্জে কৃষক দলের ৩ নেতা বহিষ্কার

বাবুগঞ্জে কুকুরের আক্রমণে আহত বিপন্ন গন্ধগোকুল উদ্ধার

অণ্ডকোষ চেপে ধরে চেকে স্বাক্ষর: অবশেষে মুখ খুললেন আব্দুল আজিজ

মুলাদীতে কাদামাটির সড়কে চরম ভোগান্তি, পাঁচ গ্রামের যোগাযোগ ব্যাহত

এমডির অণ্ডকোষ চেপে চেক-স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর আদায়, সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল

জয়ন্তী নদীতে নিখোঁজ স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার, ভেসে গেল ৯ কিলোমিটার

ভাঙ্গা-কুয়াকাটা সড়ক ৬ লেনের দাবিতে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ: সরওয়ার

সম্পদ লুটের চেষ্টা: ভিক্ষুক পরিচয়ে ঘরে ঢুকে বৃদ্ধাকে কুপিয়ে জখম, মা-ছেলে গ্রেপ্তার

বরিশালে নদীভাঙন রোধে স্থায়ী সমাধানের দাবিতে মানববন্ধন