হোম > সারা দেশ > বান্দরবান

থানচিতে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, আরও বৃদ্ধি পেয়েছে সাঙ্গু নদের পানি

থানচি (বান্দরবান) প্রতিনিধি  

থানচি বাজারের সেগুম ঝিরির ঝুলন্ত সেতু ডুবে গেছে। ছবি: আজকের পত্রিকা

ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে বান্দরবানের থানচি উপজেলার নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। আজ বুধবার বিকেল থেকে ভারী বর্ষণের সঙ্গে সাঙ্গু নদের পানি বৃদ্ধি পেয়ে থানচি বাজার, বাগানপাড়া, নতুন ব্রিজ পাড়া, হিন্দুপাড়া, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সড়কসহ নদতীরবর্তী একাধিক এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়েছে। নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দারা আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে শুরু করেছে।

আজ বিকেলে প্রবল বৃষ্টির মধ্যেই উপজেলার বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল ফয়সাল। তিনি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার পরিবারগুলোকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেন। আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত পরিবারগুলোর জন্য শুকনা খাবারসহ প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী বিতরণের প্রস্তুতি নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বাগানপাড়ার একটি কালভার্ট, রবার্টপাড়া ও টিমংপাড়ার দুটি সেতু এবং হেডম্যানপাড়ার একটি সেতুসহ কয়েকটি সেতু পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এ ছাড়া রুমা বাজার থেকে সদরঘাট পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় যান চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

থানচি সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অংপ্রু ম্রো জানান, গত শনিবার থেকে শুরু হওয়া টানা বৃষ্টিতে তাঁর ইউনিয়নের নদতীরবর্তী ফসলি জমি ও ছড়ার তীরবর্তী খামার পানির নিচে তলিয়ে গেছে। বিশেষ করে আমন ধান ও বিভিন্ন ধরনের শাকসবজির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুতের জন্য সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড সদস্যদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এদিকে প্রবল স্রোতের কারণে রেমাক্রী খাল, সোনা খাল, তিন্দু ঝিরি ও পর্দ্দা খালের পানিও বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে থানচি উপজেলার সঙ্গে রেমাক্রী ও তিন্দু এই দুই ইউনিয়নের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। ফলে ওই সব এলাকার মানুষের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে এবং দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে। সাঙ্গু নদীর পানি আরও বাড়লে থানচি, বলীপাড়া বাজারসহ নদতীরবর্তী বিভিন্ন পাড়া ও গ্রাম প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ অবস্থায় উপজেলা প্রশাসন সবাইকে সতর্ক থাকার এবং প্রয়োজনে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

বান্দরবানে বন্যার্তদের পাশে বিজিবি, শতাধিক পর্যটককে উদ্ধার

১২ জুলাই পর্যন্ত বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ

বান্দরবানের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, ২২০ আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত

রুমায় কেওক্রাডংয়ে আটকা পড়েছেন অর্ধশতাধিক পর্যটক

বান্দরবানে ভারী বর্ষণ: থানচির বিভিন্ন এলাকা থেকে আটকে পড়া শতাধিক পর্যটক সদরে

বান্দরবানে টানা বৃষ্টিতে বন্যা ও পাহাড়ধসের শঙ্কা, ৭ উপজেলায় ২২০ আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত

শুক্রবার পর্যন্ত বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা

ভারী বৃষ্টিতে সাঙ্গু নদীর পানি বৃদ্ধি, থানচিতে শতাধিক পর্যটক আটকা

কৃষক দল নেতার স্কুলপড়ুয়া মেয়েকে অপহরণের অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে

বান্দরবানে জাতীয় যুবশক্তির ১০ নেতা-কর্মীর পদত্যাগ