ইঞ্জিন বিকল হয়ে বঙ্গোপসাগর-সংলগ্ন পশুর নদে তিন দিন ধরে ভাসছিলেন ১৬ জেলে। মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতায় আসার পর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে সাহায্য চান তাঁরা। পরে নৌবাহিনীর উদ্ধারকারী জাহাজ গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে।
রোববার (২৩ আগস্ট) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ সূত্রে জানা গেছে, বাগেরহাটের শরণখোলার রায়েন্দা থেকে গত ১৯ আগস্ট মাছ ধরতে সাগরে যান ১৬ জেলে। দুই দিন মাছ ধরার পর ২১ আগস্ট তাঁদের নৌযানের ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। এরপর তাঁরা পশুর নদে দিক হারিয়ে ভাসতে থাকেন। তখন মোবাইল নেটওয়ার্কের বাইরে থাকায় কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি তাঁরা।
ভাসতে ভাসতে ২৩ আগস্ট রাতে মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতায় এলে লোকমান নামে এক জেলে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেন। তিনি তাঁদের উদ্ধারে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানান।
খবর পেয়ে ৯৯৯ থেকে বাগেরহাট নৌপুলিশ, মোংলা কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর কন্ট্রোল রুমে বিষয়টি জানানো হয়। ৯৯৯-এর কলটেকার কনস্টেবল ফজলে রাব্বি মিয়া কলটি গ্রহণ করেন। পরে ৯৯৯-এর পুলিশ ডিসপাচার এসআই মো. রবিউল ইসলাম কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করে উদ্ধার কার্যক্রম সমন্বয় করেন।
এরপর নৌবাহিনীর একটি উদ্ধারকারী জাহাজ ১৬ জেলেকে উদ্ধারে অভিযান শুরু করে। তবে মোবাইল নেটওয়ার্কের সমস্যার কারণে তাঁদের সঠিক অবস্থান জানতে কিছুটা সময় লাগে।
দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর বঙ্গোপসাগর-সংলগ্ন পশুর নদ থেকে ১৬ জেলে ও তাঁদের বিকল নৌযানটি উদ্ধার করে নৌবাহিনী। পরে তাঁদের নিরাপদ জায়গায় পৌঁছে দেওয়া হয়।