চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) নিয়োগপ্রক্রিয়ায় স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে মানববন্ধন এবং অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। এ সময় উপ-উপাচার্যের মেয়েসহ সব বিতর্কিত ও অবৈধ নিয়োগ অবিলম্বে বাতিলসহ চার দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের পদত্যাগও দাবি করা হয়।
আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এ কর্মসূচি শুরু করে সংগঠনটি। যা এ প্রতিবেদন লেখার (বেলা ১টা ৫০) সময়ও চলমান দেখা যায়।
অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেন চবি শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইয়াসিন, সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন হৃদয়সহ অন্য নেতা-কর্মীরা।
এ সময় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক নিয়োগ কার্যক্রম মেধার চরম অবমূল্যায়ন, স্বজনপ্রীতি ও প্রশাসনিক অনিয়মের ভয়াবহ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা ও শিক্ষাব্যবস্থার ওপর গুরুতর আঘাত। নিয়োগে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্যের মেয়ে কীভাবে নিয়োগ পায়? এই প্রশাসন নিয়োগ নিয়েই ব্যস্ত। এসব অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।’
এ সময় চার দফা দাবি তুলে ধরেন সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা। দাবিগুলো হলো—নিয়োগে স্পষ্ট স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের অভিযোগে উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের অবিলম্বে পদত্যাগ; উপ-উপাচার্যের কন্যাসহ সব বিতর্কিত ও অবৈধ নিয়োগ বাতিল; ইউজিসির নির্দেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান এবং বিভাগীয় আপত্তি ও পরিকল্পনা কমিটির সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে দেওয়া সব নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার করে স্বচ্ছ ও ন্যায্য নিয়োগপ্রক্রিয়া নিশ্চিত করা।