হোম > সারা দেশ > জয়পুরহাট

জয়পুরহাটের নান্দাইল দীঘি, বিলের ঘাট, শিশু উদ্যান পর্যটক বরণে প্রস্তুত

জয়পুরহাট প্রতিনিধি

জয়পুরহাট সদর উপজেলার শিশু উদ্যান। ছবি: আজকের পত্রিকা

উত্তরবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী জেলা জয়পুরহাটে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের টানে প্রতিবছরই ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের ঢল নামে। আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটিতে জেলার কালাই উপজেলার নান্দাইল দীঘি, ক্ষেতলাল উপজেলার বিলের ঘাট ও আশ্রাঙ্গা দীঘির পাশাপাশি জয়পুরহাট সদর উপজেলার শিশু উদ্যানে পর্যটকেরা ঘুরতে যেতে পারেন।

কালাই উপজেলার নান্দাইল দীঘি বরাবরই পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণ। বিশাল জলরাশি আর পাড়জুড়ে সবুজের সমারোহ এই দীঘিকে দিয়েছে অনন্য সৌন্দর্য। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, কয়েক শ বছরের পুরোনো এই দীঘি শুধু একটি জলাশয় নয়, এটি এই অঞ্চলের ঐতিহ্যের প্রতীক। ঈদ উপলক্ষে দীঘির পাড় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে, সংস্কার করা হয়েছে বসার শেড ও বেঞ্চ।

এদিকে ক্ষেতলাল উপজেলার তুলসীগঙ্গা নদীর তীরে গড়ে ওঠা বিলের ঘাট এখন তরুণ প্রজন্মের জনপ্রিয় গন্তব্য। বিশেষ করে, সূর্যাস্তের সময় নদীর শান্ত পরিবেশ ও গ্রামীণ প্রকৃতি দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে। একই উপজেলার আশ্রাঙ্গা দীঘিও তার বিশালতা ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

অন্যদিকে জয়পুরহাট সদর উপজেলার শিশু উদ্যান পরিবার-পরিজন নিয়ে সময় কাটানোর অন্যতম নিরাপদ ও বিনোদনমূলক স্থান হিসেবে প্রস্তুত করা হয়েছে। শিশুদের জন্য বিভিন্ন রাইড, খেলার সরঞ্জাম এবং বসার স্থান সংস্কার ও পরিষ্কার করা হয়েছে। ঈদের ছুটিতে এখানে শিশুদের কোলাহলে মুখর হয়ে উঠবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পর্যটকদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বাড়তি নজরদারি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল জোরদারের পরিকল্পনা রয়েছে। সন্ধ্যার পর সোলার লাইটের আলোয় আলোকিত হয়ে ওঠে এসব পর্যটনকেন্দ্র।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এসব পর্যটনকেন্দ্রকে ঘিরে এলাকায় কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে। ছোট দোকানপাট, খাবারের হোটেল ও নাশতার স্টল গড়ে ওঠায় স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

ক্ষেতলাল উপজেলার বিলের ঘাটে ঘুরতে আসা জয়পুরহাট সদর উপজেলার করিমনগরের পর্যটক নাহিদ হাসান সোহান বলেন, ‘শহরের যান্ত্রিকতা ছেড়ে প্রকৃতির কাছে সময় কাটানোর জন্য বিলের ঘাট এখন আমাদের প্রথম পছন্দ। এখানে এলে মনটা সতেজ হয়ে যায়।’

কালাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীম আরা বলেন, ‘পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে পর্যটনশিল্পের বিকাশ ঘটানোই আমাদের লক্ষ্য। ঈদ উপলক্ষে নান্দাইল দীঘির চারপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে। পর্যটকদের নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিশেষ নজরদারি থাকবে, যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা বা হয়রানি না ঘটে।’

জেলা প্রশাসক আল-মামুন মিয়া বলেন, জেলার বিদ্যমান পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে ধাপে ধাপে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। ভবিষ্যতে এসব স্থানে উন্নত অবকাঠামো, শিশু পার্ক ও অন্যান্য বিনোদন সুবিধা যুক্ত করা হবে।

পাটুরিয়া–দৌলতদিয়া ঘাটে নৌযান চলাচল শুরু

জামালপুরে ৩ হাজার কেজি সরকারি চাল জব্দ

হবিগঞ্জে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত ২০

ইবিতে বরখাস্ত ১৯ শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীর শাস্তি মওকুফ

চট্টগ্রামে আন্তজেলা ডাকাত দলের ৯ সদস্য গ্রেপ্তার

মা-চাচির ঝগড়ার বলি আড়াই বছরের নুজাইফা, চাচি আটক

জাবির হল থেকে শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

গোপালগঞ্জে দুদকের মামলায় গ্রেপ্তার পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মী

ডিজেল-সংকট: সাগরে মাছ ধরতে না পারায় ঈদ আনন্দ নেই উপকূলীয় জেলেদের

ঈদের কেনাকাটার কথা বলে প্রেমিকাকে নিয়ে গলায় আঘাত, চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু