হোম > সারা দেশ > গাজীপুর

শিশুপুত্রকে নিয়ে চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাঁপ

শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি  

প্রতীকী ছবি

গাজীপুরের শ্রীপুরে পারিবারিক কলহের জেরে শিশুপুত্রকে নিয়ে চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন এক স্কুলশিক্ষকের স্ত্রী। ঘটনাস্থলে নারী ও হাসপাতালে নেওয়ার পথে শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

আজ শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকালে উপজেলার রাজাবাড়ি ইউনিয়নের ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথের রাজেন্দ্রপুর রেলওয়ে স্টেশনের দক্ষিণ আউটার সিগন্যালে এই ঘটনা ঘটে। শুক্রবার সন্ধ্যায় তাঁদের পরিচয় নিশ্চিত করেছে পিবিআই।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার রাজাবাড়ি ইউনিয়নের চিনাশুকানিয়া গ্রামের স্কুলশিক্ষক হরেকৃষ্ণের স্ত্রী মিতি রানী দাস (৩৫) ও ছেলে রুদ্র দাস (৩)।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. রাকিবুল হাসান বলেন, রেললাইন ঘেঁষে রাজেন্দ্র সেনানিবাসের বিপসটের পেছনে এক নারী শিশুকে নিয়ে বসে ছিলেন। সকালে তিস্তা এক্সপ্রেস ট্রেন এলে হঠাৎ ওই নারী শিশুটিকে নিয়ে চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেন। ঘটনাস্থলেই নারীর মৃত্যু হয়েছে। শিশুটিকে উদ্ধার করে স্থানীয় বাসিন্দারা গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাত দিয়ে তিনি আরও জানান, পারিবারিক কলহের জেরে বাড়ি থেকে অভিমান করে বের হয়ে আসেন তিনি।

চিনাশুকানিয়া গ্রামের বাসিন্দা লোকমান হোসেন বলেন, হরেকৃষ্ণের স্ত্রীর সঙ্গে তাঁর দেবর প্রাণকৃষ্ণের কথা-কাটাকাটি হয়। এটা তেমন বড় পারিবারিক কলহ নয়। এই অভিমানে হরেকৃষ্ণের স্ত্রী মিতি রানী শিশুপুত্রকে নিয়ে বাড়ি থেকে বেড়িয়ে যান। সন্ধ্যার দিকে পুলিশ বাড়িতে এলে বিষয়টি জানাজানি হয় যে তাঁরা মারা গেছেন। এই অভিমানে আত্মহত্যা করতে পারেন।

অভিযুক্ত প্রাণকৃষ্ণের নম্বরে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ধরেননি।

নিহত নারীর স্বামী হরেকৃষ্ণের নম্বরে ফোন করলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

রাজাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের ৪, ৫, ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য তাহারিন সাফফাত জেরিন বিষয়টি নিশ্চিত করে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পারিবারিকভাবে জানতে পারছি দেবর প্রাণকৃষ্ণের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি থেকে অভিমানে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে ওই নারী আত্মহত্যা করতে পারেন।’

জয়দেবপুর রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) কাইয়ুম আলী জানান, রাজেন্দ্রপুর এলাকার রেললাইনে ট্রেনের নিচে কাটা পড়েন মিতি রানী দাস ও তাঁর ছেলে রুদ্র দাস। এ সময় মিতি রানী ঘটনাস্থলেই মারা যাযন। তাঁর ছেলে রুদ্র দাস গুরুতর আহত হয়। পরে স্থানীয় লোকজন আহত শিশু রুদ্রকে উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেলে তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে নিহত ব্যক্তিদের লাশ উদ্ধার করে। তবে মা-ছেলে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন কি না, তা জানা যায়নি। তিনি আরও জানান, সকালের দিকে ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে মারা গেলেও তাঁদের পরিচয় শনাক্ত হয়নি। পরে তাঁদের পরিচয় শনাক্ত হয়। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

শিবালয়ে বালুমহালের ম্যানেজারকে গুলি করে হত্যা

ড্রেনেজ ব্যবস্থা ঠিক থাকলে আলুতে এত ক্ষতি হতো না: খাদ্য প্রতিমন্ত্রী

খুবি শিক্ষার্থী মৌমিতাকে চাপা দেওয়া গাড়িটি আ.লীগ নেতার ছোট ভাইয়ের

সারা দেশে গুচ্ছের ‘বি’ ইউনিটে উপস্থিতি ৮২.৪৫ শতাংশ

রাজধানীতে ঘরে ঝুলছিল মায়ের লাশ, বিছানায় ছেলের গলাকাটা মরদেহ

বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির বিএনপিপন্থী পূর্ণ প্যানেলের জয়

মাদারীপুরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ, দোকান ভাঙচুর

বরগুনায় স্কুল ফিডিং প্রকল্পে কাঁচা কলা–পচা ডিম

রাজশাহীতে দুই দিনব্যাপী লিটারারি ফেস্টিভ্যাল শুরু

নরসিংদীতে অজ্ঞাত রোগে শতাধিক ছাগলের মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত খামারিরা