দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ ঈদগাহ দিনাজপুরের ঐতিহাসিক গোর-এ-শহীদ বড় ময়দানে ঈদুল ফিতরের জামাত আজ শনিবার (২১ মার্চ) সকালে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ৬টা থেকে মুসল্লিরা সমবেত হতে শুরু করেন ঈদগাহ ময়দানে। সকাল ৯টায় শুরু হয় ঈদের নামাজ।
জামাতের ইমামতি করেন মাওলানা মতিউর রহমান কাসেমী। নামাজ শেষে দেশ, জাতি, মুসলিম উম্মাহ, মুক্তিযুদ্ধ ও চব্বিশের শহীদ এবং আহত ব্যক্তিদের জন্য শান্তি কামনা করে মোনাজাত করা হয়।
আয়োজকেরা জানান, গতকাল শুক্রবার রাতে বৃষ্টি হওয়ায় মুসল্লিদের উপস্থিতি অন্যান্য বছরের তুলনায় কম ছিল। তবে বৈরী আবহাওয়া সত্ত্বেও দিনাজপুর ও পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন জেলা থেকে ৫০ হাজারের বেশি মুসল্লি জামাতে অংশ নেন।
বৃহৎ এই জামাত শুরুর আগে উপস্থিত মুসল্লিদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন দিনাজপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, জেলা জজ মো. আলমগীর হোসেন, জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম ও দিনাজপুরের পুলিশ সুপার মো. জেদান আল মুসা।
সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘আমাকে আপনারা নির্বাচিত করেছেন, এ জন্য আমি সবার কাছে কৃতজ্ঞ। এবার মাঠে কিছুটা ত্রুটি রয়েছে। ভবিষ্যতে আরও সুন্দর পরিবেশে ঈদের নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা করা হবে। সবাইকে ঈদ মোবারক।’
বৈরী আবহাওয়া সত্ত্বেও ঈদ জামাতে দিনাজপুরের পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোর লোকজনও অংশ নিয়েছেন। পঞ্চগড় থেকে আসা আহসান হাবিব বলেন, ‘ঐতিহাসিক এই ঈদগাহে নামাজ আদায় করতে পেরে আমি আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। এত বড় ময়দানে এত মুসল্লির সঙ্গে নামাজ আদায় করার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।’
আরেক মুসল্লি আমাদের পাঠশালা স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ রাহিনুর ইসলাম সিদ্দিকী বলেন, ‘প্রতিবছরই এখানে ঈদের নামাজ আদায় করে থাকি। এত বড় জামাতে নামাজ আদায়ে মানসিক তৃপ্তি পাই। নামাজ শেষে দেশ ও জনগণের জন্য আমরা দোয়া করেছি।’