হোম > সারা দেশ > ঢাকা

হাদি হত্যা মামলা: ফয়সাল, আলমগীরকে দিল্লি নিয়ে গেছে তদন্ত সংস্থা

কলকাতা সংবাদদাতা

ফাইল ছবি

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার প্রধান দুই আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল এবং আলমগীর হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নয়াদিল্লিতে নিয়ে গেছে ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ভারতে গ্রেপ্তার এই দুজনকে গত সোমবার রাতে কলকাতা থেকে নয়াদিল্লি নিয়ে যাওয়া হয়। ভারতে অনুপ্রবেশ ও অবস্থানের সঙ্গে কারা জড়িত, সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

ফয়সাল ও আলমগীরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গতকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত ভারতের কাছ থেকে কনস্যুলার সুবিধা পায়নি বাংলাদেশ। তবে দ্রুত এ সুবিধা পাওয়া যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে সরকার। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ গতকাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ব্রিফিংয়ে বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার করা সরকারের অগ্রাধিকার।

সূত্র জানায়, ফয়সাল ও আলমগীরকে গত বোরবার পশ্চিমবঙ্গের বিধাননগর মহকুমা আদালতে হাজির করা হলে তাঁদের ১২ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দেন আদালত। পরে তদন্তের স্বার্থে নতুন করে আবেদন জানিয়ে তাঁদের নিজেদের হেফাজতে নেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

এই দুজনের বিরুদ্ধে শুরুতে ফরেনার্স অ্যাক্টে মামলা করা হলেও তদন্তে নতুন তথ্য আসায় বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনের ১৬ ও ১৮ ধারায় মামলা করা হয়। তদন্তকারীদের ধারণা, ফয়সাল ও আলমগীরের ভারতে অনুপ্রবেশ, অবস্থানের সঙ্গে বড় ধরনের কোনো চক্র জড়িত থাকতে পারে। এসব বিষয়ে তাঁদের বিশদ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নয়াদিল্লিতে নেওয়া হয়েছে। সেখানে তাঁদের আলাদাভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তাঁদের সঙ্গে কাদের যোগাযোগ ও আর্থিক লেনদেন হয়েছে, সেসব খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী বনগাঁ থেকে ৮ মার্চ রাতে ফয়সাল ও আলমগীরকে আটক করে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিশেষ টাস্কফোর্স (এসটিএফ)। অনুপ্রবেশের অভিযোগে গ্রেপ্তারের পর তাঁদের ১৪ দিনের হেফাজতে নেওয়া হয়। ওই হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাঁদের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বিধাননগর মহকুমা আদালতে হাজির করা হয়। আদালত তাঁদের ১২ দিনের কারা হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দেন। আগামী ২ এপ্রিল তাঁদের আবার আদালতে হাজির করা হবে।

আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ফয়সাল বলেন, ‘আমি এ কাজ করিনি। এসবের সঙ্গে আমি যুক্ত ছিলাম না।’ তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে কি না— এমন প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে যান তিনি।

অবশ্য এসটিএফ সূত্র বলেছে, জিজ্ঞাসাবাদে ফয়সাল ও আলমগীর ঢাকায় ওসমান হাদিকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।

এই দুজনকে ভারতে পালাতে সহায়তা করার অভিযোগ থাকা একজনকেও গ্রেপ্তার করেছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ।

শরিফ ওসমান হাদিকে গত বছরের ১২ ডিসেম্বর ঢাকার পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে গুলি করে মোটরসাইকেল আরোহী দুর্বৃত্তরা। মাথায় গুলিবিদ্ধ হাদি সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাতে মারা যান। এ ঘটনায় পল্টন থানায় করা মামলার তদন্ত শেষে গত ৬ জানুয়ারি ডিবি পুলিশ ফয়সাল ও আলমগীরসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়। তাঁদের মধ্যে ১১ জন গ্রেপ্তারের পর কারাগারে রয়েছেন। পরে এই অভিযোগপত্রের ওপর বাদীর নারাজি আবেদন মঞ্জুর করে আদালত অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেন। সিআইডি তদন্ত শুরু করার পর আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনিও কারাগারে আছেন। ভারতে ফয়সাল ও আলমগীর ছাড়া তাঁদের পালাতে সহায়তাকারী আরও একজনকে আটক করা হয়েছে।

গাইবান্ধার ফুলছড়ি: ব্রহ্মপুত্রে নাব্য সংকট নৌচলাচল বন্ধে দুর্ভোগ

হাওরে দুর্বল বাঁধ, শঙ্কায় কৃষক

শুভেচ্ছা সফরে রাশিয়ান নৌবাহিনীর ২ জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে

তেল আসার খবরে মুহূর্তেই ৫ শতাধিক মোটরবাইক পাম্পে

চট্টগ্রামে অধিকাংশ পেট্রলপাম্পে জ্বালানি তেল বিক্রি বন্ধ

সৈকতে যথেচ্ছ মোটরসাইকেল চালনা, ঝুঁকিতে পর্যটকেরা

‎আদাবরে পুলিশের টহল দলের সামনেই চুরির অভিযোগ

কসবায় বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যুবককে পিটিয়ে হত্যা

নাটোরে নিজ বাড়িতে দুর্বৃত্তের হামলায় চটপটি বিক্রেতা নিহত

পাটগ্রামে পৌর জামায়াতের আমির গ্রেপ্তার