চট্টগ্রামের হালিশহরে এক বাসায় বিস্ফোরণে দগ্ধ ব্যক্তিদের মধ্যে শিপন (৩০) নামের আরও একজন মারা গেছেন। এ নিয়ে বিস্ফোরণের ঘটনায় মারা গেলেন ছয়জন। আর বেঁচে আছে তিন শিশু-কিশোর।
আজ শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান। তিনি জানান, শিপনের শরীরের ৮২ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।
এর আগে এ ঘটনায় মারা গেছেন শিপনের ভাই সাখাওয়াত হোসেন, সাখাওয়াতের স্ত্রী নুরজাহান আক্তার রানী ও ছেলে শাওন এবং বড় ভাই সামির আহমেদ সুমন ও তাঁর স্ত্রী আশুরা আক্তার পাখি।
শাওন জানান, বর্তমানে সাখাওয়াতের মেয়ে উম্মে আয়মান স্নিগ্ধা ৩৮ শতাংশ, ভাইয়ের মেয়ে আয়েশা ৪৫ শতাংশ ও ভাইয়ের ছেলে ফারহান আহমেদ আনাস ৩০ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছে। তাদের সবার অবস্থাই আশঙ্কাজনক।
২৩ ফেব্রুয়ারি ভোরে হালিশহরের হালিমা মঞ্জিল নামের ছয়তলা ভবনটির তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওই ফ্ল্যাটে ব্যবসায়ী সাখাওয়াত হোসেন পরিবার নিয়ে থাকতেন। বিস্ফোরণে বাসায় থাকা ৯ জন দগ্ধ হয়। তারা হলো মো. সাখাওয়াত হোসেন (৪৬), তাঁর স্ত্রী নুরজাহান আক্তার রানী (৪০), ছেলে শাওন (১৬) ও মেয়ে উম্মে আয়মান স্নিগ্ধা (১০) এবং সাখাওয়াতের ছোট ভাই সামির আহমেদ সুমন (৪০), তাঁর স্ত্রী আশুরা আক্তার পাখি (৩৫), মেয়ে আয়েশা (৪) ও ছেলে ফারহান আহমেদ আনাস (৬) এবং সাখাওয়াতের আরেক ভাই শিপন হোসেন (৩০)।