গাজীপুর-৩ (শ্রীপুর ও গাজীপুর সদরের একাংশ) আসনে প্রায় ১ ঘণ্টা ভোটের লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন এক নারী ভোটার। পরে গিয়ে দেখেন তাঁর ভোট হয়ে গেছে। আজ বৃহস্পতিবার শ্রীপুর পাইলট সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের মহিলা ভোটকেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটে। পরে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তাসহ তিনজনকে প্রত্যাহার করেছে নির্বাচন কমিশন। আজ দুপুর সাড়ে ১২টায় এই তথ্য নিশ্চিত করেন নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা (শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা) সজীব আহমেদ।
প্রত্যাহার হওয়া ওই তিনজন হলেন হারেছা খাতুন, মাসুম খান ও সালমা আক্তার। তাঁদের মধ্যে হারেছা খাতুন কেন্দ্রটির সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি গিলাশ্বর বালিকা দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক। সালমা খাতুন পোলিং এজেন্ট। তিনি দক্ষিণ ভাংনাহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। অপর পোলিং এজেন্ট মাসুম খানের কর্মক্ষেত্রের নাম জানা যায়নি।
জানা গেছে, ভোটকেন্দ্রে লাকী বেগম নামের এক নারী ভোটার সকালে ভোট দিতে লাইনে দাঁড়ান। ভোট দেওয়ার জন্য এক ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করেন তিনি। পরে ভোট গ্ৰহণ কক্ষে গিয়ে দেখেন তাঁর ভোট দেওয়া হয়ে গেছে। তিনি হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছিলেন। তবে বিষয়টি তিনি দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের জানান। এই ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ওই কেন্দ্রে দায়িত্বরত তিনজনকে প্রত্যাহার করা হয়।
ওই কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মো. সেলিম হোসেন বলেন, এই ঘটনায় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এটা কীভাবে ঘটল, তা তদন্ত করে দেখা হবে।
নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা সজীব আহমেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, একজন ভোটার অভিযোগ করেছিলেন। অভিযোগের ভিত্তিতে সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তাসহ তিনজনকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। পরে ওই নারী ভোটারের ভোট নির্বাচন কমিশনের নীতিমালা অনুযায়ী টেন্ডার ভোট হিসেবে নেওয়া হয়েছে।